Date : 2019-02-21

Breaking
পুলওয়ামার জের বাইশ গজে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে চাইছে না ভারত। দেশের ক্রিকেট মহলে ক্রমশই জোরালো হচ্ছে এই দাবি।
সন্ত্রাসবাদের মদতদাতাদের বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে রাজি সৌদি আবর। সৌদি রাজকুমার মহম্মদ বিন সলমনের সঙ্গে বৈঠকের পর জানালেন নরেন্দ্র মোদী। সন্ত্রাসবাদীদের গতিবিধি নিয়ে গোয়েন্দা তথ্য আদানপ্রদান হবে।
আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত অনিল অম্বানি। চার সপ্তাহের মধ্যে সুদ সহ ৫৫৯ কোটি টাকা এরিকসনকে ফেরতের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। অন্যথায় জেলে যেতে হতে পারে অনিল অম্বানিকে।
ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর ভাড়া নির্ধারণ। প্রথম ২ কিলোমিটার পর্যন্ত ভাড়া থাকবে ৫ টাকা। ২ থেকে ৫ কিলোমিটার ভাড়া ১০ টাকা। ৫ থেকে ১০ কিলোমিটারের ভাড়া ২০ টাকা।
জাল শংসাপত্র দিয়ে অধ্যাপিকা নিয়োগের মামলায় দোষী সাব্যস্ত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য দিলীপ সিনহা। দোষী সাব্যস্ত অধ্যাপিকা মুক্তি দেব ও কর্মসচিব দিলীপ মুখোপাধ্যায়।
ধর্মতলা এপিডিআররের যুদ্ধ বিরোধী মিছিল। মিছিল চলাকালীন হামলা একদল যুবকের। হামলা চালিয়েছে বিজেপি, অভিযোগ এপিডিআরের। ঘটনায় গ্রেফতার ৪।
হাওড়ায় ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি এক যুবককে। গুরুতর জখম যুবককে উদ্ধার করে বেলুড় থানার পুলিশ। এলাকায় চাঞ্চল্য।
গুজব ও হিংসা ছড়ানো নিয়ে ট্যুইট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের রাজনৈতিক দলগুলির একাংশ থেকে ছড়ানো হচ্ছে গুজব। যা দেশের রাজনীতিতে দূষণ ছড়াচ্ছে নিন্দনীয় ভাবে। তোপ মুখ্যমন্ত্রীর।
রাজ্য সরকারের মুকুটে পরপর নতুন পালক। কন্যাশ্রী প্রকল্পের পর রাষ্ট্রসংঘের সেরা পাঁচে উৎকর্ষ বাংলা ও সবুজ সাথী প্রকল্প। ২টি প্রকল্প পাচ্ছে রাষ্ট্রসংঘের পুরস্কার। প্রকল্প দুটি মুখ্যমন্ত্রীর মস্তিস্ক প্রসূত।

৩৫ বছরের পুরোনো ভৃত্যকে এভাবেই বিদায় জানাল সৌদির এক পরিবার

ওয়েব ডেস্ক: চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর দীর্ঘদিনের এক বিশ্বস্ত কর্মীকে ঠিক যেমন ভাবে বিদায় জানায় তার সংস্থা ঠিক তেমন ভাবেই বাড়ির ভৃত্যকে বিদায় জানাল সৌদির এক পরিবার। প্রায় ৩৫ বছর ধরে সৌদি আরবের ওই পরিবারের জন্য কাজ করছিলেন ভারতের মিডো শিরীয়ান। খেতমজুরের কাজের পাশাপাশি বাড়ির অতিথিদের খাবার পরিবেশনের কাজটিও করতেন মিডো। সঙ্গে সৌদির হেইল শহরে ওই পরিবারেরই একটি গেস্ট হাউস রয়েছে সেটিও দেখাশুনো করতেন মিডো। হেইল আর অল-জউফ শহরের পাহাড়ি এলাকা ঘুরতে গিয়ে এই গেস্ট হাউসেই উঠতেন পর্যটকেরা। সেখানেও পর্যটকদের দেখভাল করতেন মিডো। কিন্তু মিডোর মন এই কাজে সায় দিলেও শরীর আর সঙ্গ দিচ্ছিল না। কিছু দিন ধরেই ভুগছিলেন নানান শরীরিক সমস্যায়। তাই এবার তাঁকে ছুটি দেওয়া উচিত বলেই মনে করেন অল শেমরি পরিবারের কর্তা আওয়াদ অল শেমরি। আটের দশকে কাজের খোঁজে সৌদি পাড়ি দিয়েছিলেন মিডো শিরীয়ান। আর তার পরই একদিন হুট করেই ওই পরিবারের নজরে পড়ে যান মিডো। মোটা মাইনের কাজও পেয়ে যান ওই পরিবারেরই দেখভাল করার। সেই থেকেই তাদের সঙ্গে থেকে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এবার বিদায় নেওয়ার পালা। আর তাঁকেই জাঁকজমক করে বিদায় জানাল সৌদির ওই পরিবার। এদিন মিডোকে কোলাকুলি করার জন্য রীতিমতো লাইন পড়ে যায়।বিদায় জানানোর মুহূর্তে মোটা অঙ্কের টাকার তাঁর হাতে তুলে দেন পরিবারের কর্তা আওয়াদ অল শেমরি। তাঁর জীবদ্দশায় পেনশেন দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। আওয়াদের জানিয়েছেন,মিডোর সততা, ঔদার্য এবং আনুগত্যে তাঁরা মুগ্ধ।