Date : 2019-03-22

Breaking
২০১৮ এর তুলনায় ২০১৯ এ আরও অসুখী ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জের সুখী সূচকে সাত ধাপ নামল ভারত। সুখী সূচকে ভারতের আগে রয়েছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, চিন।
ফের উত্তপ্ত উপত্যকা। জম্মু- কাশ্মীরের সোপোরে ,সেনা জঙ্গি গুলির লড়াই। নিকেশ ২ জঙ্গি। আরও জঙ্গির লুকিয়ে থাকার আশঙ্কা। এলাকা ঘিরে তল্লাশি সিআরপিএফ – জম্মু কাশ্মীর পুলিশের।
প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর হতাশা রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি রাজকমল পাঠক। রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তিনি।
কেউ পচা আলুর ঝোল খেতে চাইলে খাক। উন্নয়নের নিরিখে ভোট হবে। সেই ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হবে। কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামানিককে কটাক্ষ উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের।
তৃণমূলের বহিস্কৃত নেতা নিশীথ প্রামানিক কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী। প্রতিবাদে দলীয় অফিস ভাঙচুর। পদত্যাগের হুঁশিয়ারী জেলার বহু বিজেপি নেতার। জেলা সভাপতির গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ।
বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষকে শুভেচ্ছা। ঘাটালের উন্নয়নে সাহায্য করেছিলেন তিনি। রাজনৈতিক লড়াই হলেও সৌজন্য থাকবে। ট্যুইটারে ভারতী ঘোষকে শুভেচ্ছা জানালেন তৃণমূল প্রার্থী দেব।
পশ্চিমবঙ্গের ২৮ আসনে বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ। প্রার্থী তালিকায় চমক। ঘাটালে ভারতী ঘোষ। ব্যারাকপুরে প্রার্থী অর্জুন সিং। হুগলি কেন্দ্রে লকেট চট্টোপাধ্যায়।
দলে আরও ব্রাত্য হলেন আডবানী। এবার গান্ধীনগর কেন্দ্রে বর্ষীয়ান নেতা আডবানীকে টিকিট দিল না বিজেপি। আডবানীর গান্ধীনগর কেন্দ্রে ভোটে লড়বেন অমিত শাহ।
লোকসভা ভোটের প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির। বারানসি থেকেই ভোটে লড়বেন মোদী। রাহুলের বিরুদ্ধে আমেঠিতে প্রার্থী স্মৃতি ইরানি।

দান বাবার কাছে মানত করতে কাঁকসায় মানুষের ঢল

পশ্চিম বর্ধমান: জাতি ধর্ম নির্বিশেষে মেলা মানুষের মিলন ক্ষেত্র। গ্রীষ্মের সময়টা বাদ দিয়ে প্রায় সারা বছর বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে নানা রকম মেলা অনুষ্ঠিত হয়। কেঁদুলির জয়দেবের মেলা, ঘুটিয়ারি শরিফের মেলার মতো বিখ্যাত না হলেও পশ্চিম বর্ধমান জেলার কাঁকসার দান বাবার মেলা অঞ্চলের মানুষের কাছে বিশাল মাহাত্ম্য রাখে। বসন্তের প্রারম্ভে ৬৪ বছর ধরে কাঁকসার এই মেলা চলে আসছে।

এলাকার মানুষের কাছে দান বাবার মাহাত্ম্য প্রচুর। দূর-দুরান্ত থেকে মানুষ এসে দান বাবার কাছে মানত করে, পুজো দিয়ে যায়। কে এই দান বাবা? তিনি আসলে সৈয়দ পাহাড়ি শাহ। গরিব-দুঃখী মানুষদের সাহায্য করতেন মুক্ত হস্তে। এই দানধর্ম বাবাকে মহান ও অমর করে রেখেছে এলাকার মানুষের কাছে।

তাঁর মৃত্যুর পর সমাধিস্থল তৈরি করা হয়। সেই সমাধিস্থলকে ঘিরেই বসে এই মেলা। এছাড়া এলাকার মানুষের বিশ্বাস বাবা স্থুলদেহ ত্যাগ করলেও মানুষ আজও তাঁর কাছে এসে কিছু চাইলে খালি হাতে ফিরে যায় না। ধর্ম সম্প্রদায় নির্বিশেষে দান বাবার মেলা আসলে সমস্ত ধর্মের মানুষের মিলন ক্ষেত্র।

বাবার সমাধিতে মাথা ঠুঁকে বহু কঙ্খিত আশা পূরণ করতে চান সকলেই। মুসলিম, শিখ, হিন্দু মিলে মিশে একাকার হয়ে যায়। জাতি ধর্ম সব কিছুর উর্ধেই মানুষের বিশ্বাস। বিশ্বাসের টানে বাবার সমাধিতে চাদর,ফুল চড়িয়ে যান অনেকেই। মেলায় কাওয়ালি শিল্পীরা গানের আসর নিয়ে হাজির হয়।

২৫ ফাল্গুন থেকে চলে সাত দিন ধরে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জমজমাট থাকে মেলা প্রাঙ্গন। এই মেলায় যাতে কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য সদা সতর্ক থাকে বর্ধমান জেলা প্রশাসন। পর্যাপ্ত পরিমানে পুলিশ মোতায়েন করা থাকে মেলা প্রাঙ্গনে। এছাড়া থাকে ২৪ ঘন্টার মেডিকেল টিম।

মেলার মাহাত্ম্য যেভাবে ছড়িয়ে পড়েছে তাতে আগামী দিনে এই মেলার পরিকাঠামো আরও উন্নত করার লক্ষ্যে অগ্রসর হচ্ছে মেলা পরিচালন কমিটি। ধর্মের অগে বিশ্বাস আর তা থেকেই ভক্তি আসে। সেখানে থাকেনা সামাজিক ভেদাভেদের বেড়া জাল। দান বাবার সমাধি আসলে বহু মানুষের একক বিশ্বাসের মিলন ক্ষেত্র।