Date : 2020-10-22

কোমল হাতে গতির নিয়ন্ত্রণ করেন সুরুচী, বীনা

বর্ধমান: রাতে অন্ধকারে ট্রেন নিয়ে ছুটে যাওয়া চালকদের বিচিত্র ঘটনার অভিজ্ঞতা আছে। তবুও একস্থান থেকে অন্যস্থানে যাত্রী অথবা মালপত্র পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর তারা। পুরুষ সঙ্গে কোন কাজেই পিছিয়ে নেই নারী। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে তার অন্যতম নিদর্শন আসানসোলের তিন মহিলা রেলকর্মী। সুরুচী কুমারী, বীনা টাপো এবং ঈশিতা রাহা রোজ ছুটিয়ে নিয়ে যান মালগাড়ি।

বর্ধমান থেকে আসানসোল, ধানবাদ থেকে আসানসোল মালগাড়ি চালান সুরুচী কুমারী। সুরুচীর সহকারী পাইলট হিসাবে কাজ করছেন বীনা টোপা। এদের পাশাপাশি গার্ডের ভূমিকা পালন করেন ঈশিতা রাহা। ২০১৩ সাল থেকে রেলের পাইলটের কাজ করে চলেছেন সুরুচী। ঝাড়খন্ডের বাসিন্দা বীনা টোপা ২০১৪-এ সহকারী পাইলট হিসাবে ভারতীয় রেলে যোগ দেন।

কলকাতার বাসিন্দা ঈশিতা রাহা ২০১৮ সাল থেকে গার্ডের কাজ করছেন। দিনে কিংবা রাতে, মালবোঝাই ট্রেন নিয়ে ছুটে চলেছেন এই তিন নারী। কাজের ক্ষেত্রে পুরুষ আর নারী বলে যে আলাদা কোন বিভাগ হয় না তা আরও একবার প্রমান করে দেয় সুরুচীরা। দীর্ঘ লোহার মালগাড়ি অবলীলায় টেনে চলছেন তারা। কোমল হাতে চেপে ধরছেন গিয়ার। নেই ভয়, নেই সংকোচ সময়ের গতির সঙ্গে অনুপ্রেরণা হয়ে এগিয়ে চলেছেন সুরুচী, বীনা ও ঈশিতা।