Date : 2019-05-21

Breaking
৩০ মে শুরু বিশ্বকাপ। আগামীকাল ইংল্যান্ডে উড়ে যাচ্ছে ভারতীয় দল।দলের সবাই ফিট। এবার বিশ্বকাপ জেতা আমাদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ, সাংবাদিক সম্মেলনে বললেন বিরাট কোহলি।
ভোটের ফল ঘোষণার দু দিন আগে খড়গপুরে চলল গুলি। আইআইটির কাছে এলোপাথাড়ি গুলি চালাল দুষ্কৃতীরা। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত ১।
কাঁকিনাড়ায় সন্ত্রাসের প্রতিবাদের জের। কাঁকিনাড়া ২৯ নম্বর রেল গেট অবরোধ স্থানীয়দের। ট্রেন লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি। প্রায় ৩ ঘন্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার
ভাটপাড়ায় অর্জুন সিং ও তার বাহিনী তাণ্ডব চালাচ্ছে। উত্তর ২৪ পরগণার জেলা শাসককে নালিশ মদন মিত্রের। সন্ত্রাস বন্ধ হলে ভাটপাড়ায় রাজনৈতিক ভাবে প্রতিবাদ হবে হুঁশিয়ারি মদন মিত্র ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের।
বুথ ফেরৎ সমীক্ষায় হতাশ হবেন না। আমাদের মনোবল ভাঙতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে। সকলে সতর্ক থাকুন। দলের সদস্যদের অডিও বার্তায় নির্দেশ প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর।
একশো শতাংশ ভিভিপ্যাট ও ইভিএম গণনার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। এই ধরনের আবেদনের কোন সারবত্তা নেই। কড়া জবাব সুপ্রিম কোর্টের।
রাজ্যে মোট গণনা কেন্দ্র ৫৮টি। গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তায় মোতায়েন ৮২ কোম্পানি আধাসেনা। কাউন্টিং অবসারভারের সংখ্যা ১৪৪ থেকে বেড়ে হল ১৫৫। ৪টি গণনা হলের দায়িত্বে ১জন অবজারভার।
ইভিএম সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগে বিরোধীরা। ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে বিরোধীরা। ভিভিপ্যাট গণনা পদ্ধতি নিয়ে কমিশনে প্রশ্ন বিরোধীদের।
কাঞ্চনজঙ্ঘা জয় করলেন বাঙালী পর্বতারোহী শেখ সাহাবুদ্দিন। সামিট সম্পন্ন করে আজ ইছাপুরের কালিতলার বাড়িতে ফিরলেন তিনি।তার এই সাফল্যে খুশি গোটা পরিবার।
আজ দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে বিরোধীরা। ২৩ মে ফলপ্রকাশের আগে ইভিএমের নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি।
ফের মাধ্যমিকে কলকাতাকে ছাপিয়ে গেল অন্য জেলা। মেধাতালিকার প্রথম দশে কলকাতার মাত্র ১, অন্য জেলার ৫০ মেধাবী। যাদের মধ্যে ২১ জন ছাত্রী, ৩০ জন ছাত্র।
মাধ্যমিক ২০১৯-র ফলপ্রকাশ। ৬৯৪ পেয়ে প্রথম পূর্ব মেদিনীপুরের সৌগত দাস। যুগ্ম দ্বিতীয় আলিপুরদুয়ারের শ্রেয়সী পাল ও কোচবিহারের দেবস্মিতা সাহা। তৃতীয় ক্যামেলিয়া রায় ও ব্রতীন মণ্ডল।

৪১ বছর অন্তর শ্রীলঙ্কার মাতঙ্গ উপজাতিদের কাছে আসেন হনুমান জি

ওয়েব ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই দেশ জুড়ে সারম্বরে পালিত হয়েছে রাম নবমী অর্থাৎ শ্রী রাম জন্ম তিথি। রামায়ণে চৈত্রমাসের শুক্লপক্ষের নবমী তিথি যেমন রাম জন্মতিথি হিসাবে প্রসিদ্ধ তেমনই চৈত্র পূর্ণিমার দিনটিকে রামায়ণে শ্রী হনুমান জন্ম জয়ন্তী হিসাবে বর্ণনা করা আছে। হিন্দু পুরাণ অনুসারে সাতজন মহামানবের এখনো পর্যন্ত মৃত্যু হয়নি। তাদের মধ্যে রামায়ণে হনুমান জি-র মৃত্যুর কথা কোথাও উল্লেখ করা হয়নি।

মহর্ষি বাল্মীকি রচিত রামায়ণের মূল খন্ডে কথিত আছে সীতাকে উদ্ধার করার পর শ্রী রামচন্দ্রের পরম মিত্র ও ভক্ত হনুমান জি-কে রামচন্দ্র খুশি হয়ে অমরত্ব প্রাপ্তির বরদান দেন। সেই অমরত্বের জোরে হনুমান জি নাকি এখনো আসেন ভক্তদের মাঝে! পুরাণ অনুসারে ভক্তরা এখনো বিশ্বাস করেন হনুমান জি জীবিত আছেন। তিনি হিমালয়ের কোন একটি গভীর জঙ্গলে শ্রী রামের তপস্যায় রত আছেন। অনেকে হনুমান জি-কে লোকারণ্যের মাঝে হঠাৎ প্রকট হতে দেখেছেন বলেও দাবি করেন।

পুরাণ কিন্তু সম্পূর্ণ অন্য কথা বলছে। হনুমান জি তার ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, যে ভক্ত আমার নাম এমন স্থানে গিয়ে জপ করবে যেই স্থান থেকে হাজার কিলোমিটারের মধ্যে কোন মনুষ্যের বাস থাকবে না। সেতু নামে একটি আধ্যাত্মিক সংস্থা গবেষণা চালিয়ে কলম্বোর জঙ্গলে এমন এক আদিবাসী উপজাতির খোঁজ দেয় যাদের কাছে হনুমান জি নাকি এখনো আসেন।

ওই গবেষণা সংস্থার দাবি, মাতঙ্গ নামে ওই আদিবাসী উপজাতির মানুষেরা দাবি করেন, প্রতি ৪১ বছর অন্তর হনুমান জি তাদের কাছে আসেন ব্রহ্মজ্ঞান দিতে। রামায়ণে কথিত আছে শ্রী রামচন্দ্রের দেহত্যাগের পর হনুমান জি শ্রীলঙ্কার জঙ্গলে চলে আসেন। সেখানে মাতঙ্গ উপজাতির সঙ্গে তিনি ব্রহ্মজ্ঞান প্রদান করতেন।

মাতঙ্গরা তাঁর সেবা করায় হনুমান জি প্রীত হয়ে প্রতি ৪১ বছর তাদের কাছে ফিরে আসার কথা দিয়ে হিমালয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। মাতঙ্গদের গোষ্ঠিপ্রধান প্রতি ৪১ বছর অন্তর হনুমান জি-র অভ্যর্থনা করেন এবং একটি পুস্তকে তাঁর কথিত শিক্ষাকে লিপিবদ্ধ করে রাখেন।

এই পুস্তককে হনুপুস্তিকা বলা হয়। মাতঙ্গদের ভাষা সভ্যসমাজের মানুষের ভাষার থেকে আলাদা। এই পুস্তকটি এখনও পাঠ করা সম্ভব হয়নি। হনুমান জি সত্যিই তাদের কাছে আসেন কিনা তারও বৈজ্ঞানিক কোন প্রমান পাওয়া যায়নি। মাতঙ্গদের বিশ্বাসেই বেঁচে আছেন হনুমান জি।