Date : 2019-05-27

Breaking
কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে পদত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ রাহুলের। গৃহীত হল না ইস্তফা। রাহুলেই ভরসা কংগ্রেসের। বৈঠকে সংগঠন ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা।
সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়িয়ে জিতেছে বিজেপি। নির্বাচন কমিশন ওদের হয়ে কাজ করেছে। কালীঘাটে বৈঠক শেষে বললেন মুখ্যমন্ত্রী।
পদে থেকেও গত কয়েক মাসে কাজ করতে পারিনি। সেই জন্য মুখ্যমন্ত্রীত্ব ছাড়তে চেয়েছিলাম। দল চায়নি তাই পদত্যাগ করিনি। কালীঘাটে সাংবাদিক বৈঠকে বললেন মুখ্যমন্ত্রী।
ভোটের ফল পর্যালোচনায় কালীঘাটে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর। আসন কমলেও ভোট বেড়েছে বলে দাবি করেন তিনি। আগামীদিনে এক হয়ে লড়াই করার বার্তা দলীয় কর্মীদের।
আজই সরকার গঠনের দাবি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন নরেন্দ্র মোদী। রাজ্য থেকে বেশ কয়েকজনের মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা।
সর্বসম্মতিতে এনডিএ নেতা নির্বাচিত হলেন নরেন্দ্র মোদী। সংসদের সেন্ট্রল হলে পুষ্পস্তবক দিয়ে মোদীকে অভিবাদন। সাক্ষী থাকলেন রাজ্য জয়ী বিজেপি সাংসদরাও।
দেগঙ্গায় তৃণমূল কর্মীদের জোর করে জয় শ্রী রাম বলানোয় সংঘর্ষ বিজেপি-তৃণমূলের। সংঘর্ষে আহত দুইপক্ষের প্রায় ১২ জন। ভাঙচুর করা হয় একাধিক বাড়ি। এলাকায় জারি ১৪৪ ধারা, মোতায়েন বাহিনী।
সম্ভবত ৩০শে মে-ই ফের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন মোদী। বিকেল ৪টে থেকে ৫টার মধ্যে রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ। তার আগে ২৮ তারিখ বারাণসীতে মোদীর রোড শো।
দলে থেকেও দলকে হেয় করার অভিযোগ। মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু রায়কে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়েই সাসপেন্ড। বললেন পার্থ।

ক্যাথিটার না পেয়ে মৃত্যু রোগীর, সরকারি হাসপাতালে দালাল রাজের করুণ চিত্র

মালদহ: টাকা না দিতে পারায় মিলল না বেড, ক্যাথিটার। কোলের উপর মৃত্যু হল যদুপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের কমলাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ইয়াজুল শেখের ছেলের। এই নির্মম চিত্র ধরা পড়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে। সরকারি হাসপাতাল জুড়ে অবাধে দালাল রাজের অভিযোগ করেছেন ইয়াজুল শেখ।

সূত্রের খবর, পেটের সমস্যা নিয়ে মালদহ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন ইংরেজ বাজারের যদুপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কমলাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা রমজান শেখ। তার বাবা ইয়াজুল শেখ পেশায় শ্রমিক। তার অভিযোগ হাসপাতালে বেড জোগাড় করার জন্য তার কাছ থেকে ২০০ টাকা দাবি করা হয়। ইয়াজুল শেখ তা দিতে রাজি হয়নি।

ভোর পাঁচটা নাগাদ রমজানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে ক্যাথিটার লাগানোর নির্দেশ দেন। নার্সের কাছে ক্যাথিটারের খোঁজ করলে তারা রোগীর পরিবারের লোকজনকে হাসপাতালের ওয়ার্ডবয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে নির্দেশ দেয়। ক্যাথিটারের জন্য ফের ২০০ টাকা দাবি করা হয় রোগীর পরিবারের কাছে।

রমজানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে দেখে পাশে থাকা রোগীর পরিবার ওয়ার্ডবয়কে ক্যাথিটার দেওয়ার জন্য অনুরোধ করে। কারোর অনুরোধে কর্ণপাত না করে তারা সাফ জানিয়ে দেয় টাকা না দিলে কোন রকম পরিষেবা মিলবে না।

চিকিৎসার অভাবে পড়ে থেকে মৃত্যুর সঙ্গে টানা দু ঘন্টা লড়াই করার পর মৃত্যু হয় রমজানের।

রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া, ভোটের মুখে খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কথায় উঠে এসেছে সরকারি হাসপাতাল গুলিতে বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা। তার পরেও অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে মৃত্যু হচ্ছে রোগীর। অবাধে চলছে দালাল রাজ, টাকার জন্য জুলুম।

মালদহ মেডিক্যাল কলেজের রোগী মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজ্যে বিনামূল্যে চিকিৎসার প্রতিশ্রুতিই কি সার? উঠছে প্রশ্ন।