Date : 2019-07-21

জিডি বিড়লার ছাত্রীর আত্মহত্যার প্লট কী ওয়েব সিরিজ লুকিয়ে!

ওয়েব ডেস্ক: রক্তে ভেসে যাচ্ছে মেঝে, পড়ে রয়েছে সার্পনার ব্লেড, সুইসাইড নোট, রক্ত মাখা পেন। পাশে পড়ে আছে ছাত্রীর মুখ বাঁধা মৃতদেহ। এটা কোন সিনেমার দৃশ্য নয়। জিডি বিড়লা স্কুলের শৌচাগারের দৃশ্যটা এমনই ছিল। সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়া একটি ওয়েব সিরিজের গল্পের সঙ্গে হুবহু মিলে যাচ্ছে ঘটনাটি। তদন্তে নেমে পুলিশ মৃত ছাত্রীর ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন আটক করেছে আর সেখান থেকে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

ওই ছাত্রী ওয়েব সিরিজের প্রতি আসক্ত ছিল বলে মনে করছে তদন্তকারীরা। তবে কী আত্মহত্যার প্ররোচনার পিছনে রয়েছে ওয়েব সিরিজের অবদান! ইতিমধ্যে এমন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। একেবারে ফিল্মি কায়দায় যেন লেখা হয়েছে সুইসাইড নোট। শুধু শিরা কেটেই শান্ত ছিল না ছাত্রীটি, মৃত্যু নিশ্চিত করতে শ্বাসরোধের পরিকল্পনাও নিয়েছিল সে।

প্রথমিক তদন্তে লালবাজারের গোয়েন্দাদের অনুমান রীতিমতো পূর্বপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত নিয়েই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিল সে। শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ওয়েব সিরিজ দেখা এবং বাস্তবে জীবনের সঙ্গে মিল খুঁজে নেওয়ার প্রবনতা ইত্যাদি সমস্যার কারণে বহু শিশুমন প্রভাবিত হচ্ছে বর্তমানে।

বড় পর্দায় সেনসরের নিষেধজ্ঞা থাকলেও ওটিপি প্লাটফর্মে ওয়েব সিরিজে তা নেই, ফলে উদ্যাম যৌনতা আর বেলাগাম খুন, জখম দেখতে পাওয়া যায় সেখানে। শুধু ওয়েব সিরিজ নয়, ইন্টারনেটের মাধ্যমে মরণ গেমের প্রতিও আকৃষ্ট হয়ে যাচ্ছে শিশুরা ফলে অল্প বয়সে ঢলে পড়ছে মৃত্যুর কোলে, বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবনতা।

স্বভাবতই ছাত্রীর মৃত্যুর পিছনে লুকিয়ে থাকা রহস্য ভেদের জন্য স্যোশাল প্লাটফর্মে তার গতিবিধি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ ও গোয়েন্দা আধিকারিকরা। খতিয়ে দেখা হচ্ছে মৃত ছাত্রীর মোবাইল ও ল্যাপটপ।