Date : 2019-12-11

একনজরে দেখে নিন ২১ শে জুলাইয়ের ১৩ শহিদের নাম….

ওয়েব ডেস্ক: ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই, তখনও গঠন হয়নি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলার তৎকালীন শাসকদল সিপিআইএম-এর অপশাসননের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছিল প্রদেশ কংগ্রেস।

ভোটারকার্ড চালুর দাবীতে তৎকালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী তথা বর্তমান বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মহাকরণ অভিযানের কর্মসূচী নেওয়া হয়, উপস্থিত ছিলেন বর্তমান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় সহ বহু বিশিষ্ট নেতৃত্ব।

আর এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে শহর কলকাতা। যদিও ভোট লুঠের প্রতিবাদে এই সভা হওয়ার কথা ছিল ১৪ জুলাই। কিন্তু সেবছর ১২ জুলাই প্রাক্তন রাজ্যপাল নুরুল হাসানের মৃত্যুর জন্য কর্মসূচী নেওয়া হয় ২১ জুলাই।

আরও পড়ুন অসহযোগীতার অভিযোগে মেয়রপদে ইস্তফা দিলেন সব্যসাচী দত্ত 

যুব কংগ্রেসের বিক্ষোভ মিছিল ঠেকাতে মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর নির্দেশে গুলি চালায় পুলিশ। সেই গুলির আঘাতে মুহুর্তের মধ্যে নিহত হয় ১৩ জন কংগ্রেস কর্মী।

সেই দিনকে স্মরণে রেখে ১৩ কংগ্রেস কর্মীর শহিদ পরিবারকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ২১ জুলাই ঘটনাস্থল অর্থাৎ ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে শহিদ দিবসের সভামঞ্চে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাতে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন আষাঢ়ের পর এবার ভরা শ্রাবণেও নিরাশ করতে পারে!

যদিও এরপর কংগ্রেস ত্যাগ করে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা করেন তবুও এই আন্দোলনের মধ্যমণি ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাই দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ২১ জুলাই শহিদ স্মরণে তিনি করেন।

২১ জুলাই শহিদের দিবসের দিনে যাঁদের স্মরণ করা হয় একনজরে তাদের নাম…

১. বন্দনা দাস

২.মুরারী চক্রবর্তী

৩.রতন মণ্ডল

৪.কল্যান ব্যানার্জী

৫.বিশ্বনাথ রায়

৬.অসীম দাস

৭.কেশব বৈরাগী

৮.শ্রীকান্ত শর্মা

৯.দীলিপ দাস

১০.রঞ্জিত দাস

১১.প্রদীপ দাস

১২.মহম্মদ খালেদ

১৩.ইনু