Date : 2019-10-24

খাদের কিনারায় কর্ণাটকের জোট সরকার, ১১ বিধায়ক ইস্তফার পথে…

ওয়েব ডেস্ক: কর্ণাটকে ফের সমস্যার মুখে জোট সরকার। কিছুদিন আগেই কংগ্রেসের দুই বিধায়ক ইস্তফা দিয়েছেন। সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর আজ কংগ্রেস ও জেডিএস-এর আরও ১১জন বিধায়ক ইস্তফা দিচ্ছেন।

কর্ণাটক বিধানসভার সচিবালয়ের ইস্তফাপত্র দিতে কংগ্রেসের ৮ বিধায়ক এবং জেডিএস-এর ৩ বিধায়ক পৌঁছে গেছেন বলে জানা গেছে। ২২৪ আসন বিশিষ্ট কর্ণাটকের বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগার ১১৩।

ভোটে কংগ্রেস ও জেডিএস জোট পেয়েছিল ১১৬টি আসন পেয়েছিল। এর মধ্যে থেকে ১১ জন বিধায়কের ইস্তফা দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার ফলে কর্ণাটকে সরকার পড়ে যেতে পারেই বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। কর্ণাটকের জোট সরকারের ১ বছরের মধ্যেই কংগ্রেসের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিএস নেতা কুমারস্বামীর সঙ্গে মন্ত্রীত্বসহ একাধিক বিষয় নিয়ে আশান্তির সৃষ্টি হয়েছে। এর জেরেই এদিন কংগ্রেস বিধায়ক রামলিঙ্গ রেড্ডি একদল বিধায়ককে নিয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দিতে আসেন।

পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরেই বিভিন্ন ইস্যুতে কোনঠাসা হয়ে পড়ছিলেন তিনি। তাই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন। তবে দল বা হাইকম্যান্ডের সিদ্ধানতের ভিত্তিতে নয় বরং নিজের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই পদত্যাগ করছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গুন্ডু রাও এখন রাজ্যে নেই।

দুই উপমুখ্যমন্ত্রী জি পরমেশ্বর ও শিবকুমার বিধায়ক ও কাউন্সিলারদের নিয়ে জরুরি মিটিং ডেকেছেন। ঘটনার জেরে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী কুমারস্বামী জানান, ঐ রাজ্যে বিজেপির হাতে ১০৫টি আসন। তাই বিধায়ক ভাঙানোর ক্ষেত্রে বিজেপি চক্রান্ত করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

কংগ্রেস বিধায়কদের ইস্তফা ঠেকাতে চেষ্টা চালাচ্ছেন কর্ণাটকে মন্ত্রী ডি কে রেড্ডি। বিজেপির বক্তব্য বিধায়কদের ইস্তফা দেওয়ার ব্যাপারে তাদের কোন ভূমিকা নেই। যদিও বিধায়ক খুইয়ে কংগ্রেস ৭৯ ও জেডিএস ৩৭ জোট সরকার এই মুহূর্তে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে।