Date : 2019-07-23

ভারতের প্রথম “শাড়ি ম্যান”র গল্পটা ঠিক কিরকম?…

ওয়েব ডেস্ক: না, রুপান্তকামী নন। তিন ভালোবাসেন শাড়ি পড়তে। ওনার মতে শাড়ি পড়া একটা শিল্প, এটা এর থেকে বেশি আর কিছু নয়।

আর যদি মেয়েরা ছেলেদের জামা পডতে পারে, ও সুন্দর ভাবে ক্যারিও করতে পারে, তাহলে ছেলেরা কেন নয়?

ভারতের একমাত্র শাড়ি ম্যান হিমাংশু বর্মা। ২০০৬ সাল থেকে শাড়ি পড়ছেন তিনি।

তাঁর আলমারিতে আছে ১০০টির বেশি শাড়ি। শুরুটা মায়ের শাড়ি দিয়ে হলেও, এখন তাঁর নিজেরই অনেক শাড়ির কালেক্শন।

কোথাও ঘুরতে গেলেই সেখান থেকে নিজের পছন্দের শাড়ি কিনে নেন তিনি। হিমাংশু মনে করেন শাড়ি পরলে পুরুষত্ব বিন্দুমাত্র কমে না। আগেরকার দিনের রাজা মহারাজাদের শাড়িই ছিল প্রধান বস্ত্র।

তারা শাড়িকেই বিভিন্ন ভাবে ও স্টাইলে, ধুতির মতো করেও পড়তেন। বেনারসী থেকে মসলিন, সেই তালিকায় ছিল সব শাড়ির নামই। শাড়ি নিয়ে অনেক পড়াশোনা করেছেন তিনি।

জেনেছেন ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের শাড়ির সম্মন্ধে। হিমাংশু মনে করেন স্টাইল স্টেটমেন্টের দিক থেকে শাড়িই একমাত্র পোশাক যা দিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা সব থেকে বেশি হয়।

এর কোনো বিকল্প নেই। তবে স্রোতের বিপরীতে পাড়ি দিতে গিয়ে বাধা এসেছে প্রচুর। তবে কিছুরই তোয়াক্কা করেননি হিমাংশু। হিমাংশু কিন্তু শাড়িতেই সবথেকে বেশি স্বচ্ছন্দ।

শাড়ির জন্য নিজের লুকও বদলাননি কোনোদিন। এক মুখ ভর্তি শাড়ি নিয়েই দিব্যি শাড়িতে নিজেকে মেলে ধরেন। অনেকভাবে শাড়ি পরেন তিনি। কখন দক্ষিণী স্টাইল, কখনও বা ঠাকুরবাড়ি স্টাইল। মন খারাপ হলেও শাড়িই তাঁর প্রিয় বন্ধু বলে জানান।