Date : 2019-09-19

পাকিস্তানকে ‘জুজু’ দেখাতে বায়ুসেনার ঘাঁটিতে অত্যাধুনিক বোয়িং এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচে…

ওয়েব ডেস্ক: আবারও টার্গেট কারগিল সীমান্ত? ২০ বছর আগের যুদ্ধের স্মৃতি উষ্কে দিয়ে ফের কারগিলের বিপরীত দিকে বাঙ্কার তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে পাকিস্তান। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বালতোরো সেক্টরে প্রায় ৬টি বাঙ্কার ইতিমধ্যে তৈরি করে ফেলেছে পাকিস্তান। জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষাধিকার তুলে নেওয়ার পরেই ভারতের বিরুদ্ধে ক্রমশ সুর চড়াচ্ছে পাকিস্তান। কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে রাষ্ট্রসংঘ পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েও সুবিধা করতে পারেনি পাকিস্তান। নিয়ন্ত্রণ রেখায় সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন, গুলি বিনিময় চলছেই।

আরও পড়ুন : নতুন নিয়ম চালু হতেই ধরপাকড় শুরু,৩৯০০ চালান কাটল দিল্লি পুলিশ

তারই মধ্যে কারগিলের বিপরীত দিকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে উষ্কানিমূলক কার্যকলাপের ফলে সীমান্তে ফের উত্তেজনার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকেও যে নিরবতা পালন করা হচ্ছে তা নয়। যে কোন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে ভারতের বায়ুসেনা। ভারতীয় বায়ুসেনার ঘাঁটিতে মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগ দিল বোয়িং এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচে গার্ডিয়ান অ্যাটাক হেলিকপ্টার।

আরও পড়ুন :পোখরানের অনুষ্ঠানে পরমানু অস্ত্র নিয়ে বিষ্ফোরক রাজনাথ সিং

মঙ্গলবার বায়ু সেনার প্রধান বিএস ধানোয়ার উপস্থিতিতে বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত করা হল বোয়িং এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচে হেলিকপ্টারকে। “বোয়িং ইন্ডিয়া”-র প্রেসিডেন্ট সলিল গুপ্তর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানিক ভাবে বায়ু সেনার হাতে তুলে দেওয়া হয় হেলিকপ্টারটি। গত ২৭ জুলাই এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচের প্রথম ব্যাচ এসে পৌঁছেছে পাঠানকোটের সেনা ঘাঁটিতে।

আমেরিকার সেনাবাহিনীর তরফ থেকে “অপরেশন নেপচুন স্পিয়ার”-র মাধ্যমে এই হেলিকপ্টারকেই কাজে লাগালো হয়েছিল পাকিস্তানের অ্যাবটাবাদে ঢুকে ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করতে। ভারত বিশ্বের ষষ্ঠদশ দেশ হিসাবে এই হেলিকপ্টারকে আনুষ্ঠানিক ভাবে দেশের সামরিক বাহিনীর কাজে ব্যবহার করতে শুরু করবে। মঙ্গলবার জল কামানের মাধ্যমে বোয়িং এএইচ-৬৪ই অ্যাপাচে গার্ডিয়ান অ্যাটাক হেলিকপ্টারকে স্বাগত জানায় ভারতীয় বায়ুসেনা। বলা বাহুল্য বিশ্বের সন্ত্রাসবাদের ঘাঁটিতে সবচেয়ে বড় অপরেশন চালিয়েছিল আমেরিকা।

বেশ কয়েকধাপ পরীক্ষার পর হেলিকপ্টারটিকে পাঠানো হয়েছে পাঠানকোটের বায়ুসেনার ঘাঁটিতে। এই কপ্টারে রয়েছে ৩০ মিলিমিটার মেশিন গান। এক রাউন্ডে ১২০০ গুলি ছুঁড়তে পারে এই গান।কপ্টারটিতে রয়েছে অ্যান্টি ট্যাঙ্ক হেলফায়ার মিসাইল। সঙ্গে রয়েছে হাইড্রা রকেট ছোড়ার ব্যবস্থা। এর সহায্যে মাটিতে যে কোনও টার্গেটে নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানা যেতে পারে। ঘণ্টায় ২৭২ মাইল বেগে উড়তে পারে এই কপ্টার। এতে টার্গেটের কাছে পৌঁছে যাওয়া যাবে খুব দ্রুত। হামলা ছাড়াও আরও অনেক কাজ করতে পারে এই কপ্টার। তাছাড়াও এই কপ্টারে রয়েছে যুদ্ধক্ষেত্রের ছবি তোলার বিশেষ শক্তিশালী প্রযুক্তি সম্পন্ন ক্যামেরা।