Date : 2019-11-19

ফের অর্থনীতিতে বাঙালির নোবেল জয়…

ওয়েব ডেস্ক: ফের অর্থনীতিতে নোবেল পাচ্ছেন বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। আরও তিনজনের মধ্যে ঘোষণা হয়েছে অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম।সস্ত্রীক নোবেল পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি। অর্থনীতিবিদ্ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র। এরপর তিনি হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৮ সালে Ph.D ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর সঙ্গে অপর দুই অর্থনীতিবিদ এস্থার ডুফলো ও মাইকেল ক্রেমারও নোবেল পেলেন। বিশ্বজুড়ে দারিদ্র নিয়ে অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে নোবেল পেলেন বাঙালি বিজ্ঞানী। বিশেষ করে দক্ষিণ-এশিয়ার দেশগুলিতে ও আফ্রিকার বেশকিছু অংশে দারিদ্রসীমা নিয়ে তাঁর বিশেষ পর্যালোচনার স্বীকৃতি স্বরূপ নোবেল পুরস্কার সম্মানে ভূষিত করা হল। ২০০৩ সালে তিনি আব্দুল লতিফ পোভাটি অ্যাকশন ল্যাব প্রতিষ্ঠা করেন।ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজিতে অধ্যাপক হিসাবে নিযুক্ত হওয়ার পর তিনি আন্তর্জাতিক অর্থনীতি অধ্যাপক সংগঠন তৈরি করেন। কোন দেশের দারিদ্রসীমা কোন পর্যায় পৌঁছতে পারে তা নিয়েই গবেষনা চালান অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৯৮ সালে নোবেল পেয়েছিলেন অর্থনীতিবিদ্ অমর্ত্য সেন। তাঁরই ছাত্র হয়ে অর্থনীতিতে পুরষ্কার পেলেন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিজিৎ-এর সঙ্গে যুগ্ম ভাবে নোবেল পাচ্ছেন তাঁর স্ত্রী এস্থার ডুফলো।

এদিন অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নোবেল জয়ের খবর পেয়ে টুইটারে মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।টুইটারে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “অর্থনীতিতে নোবেল পেয়ে বাঙালি হিসাবে তিনি গর্বিত করলেন দেশকে। আমরা উচ্ছেসিত। অর্থনীতিতে নোবেল জয়ের জন্য অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়কে হার্দিক অভিনন্দন “

একই সঙ্গে অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বীকৃতিতে উচ্ছসিত হয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।তিনি বলেন, “আমরা গর্বিত, উনি ফিরলে ওনাকে সম্বর্ধনা দেব।”