Date : 2019-11-19

দেশদ্রোহিতার তকমা নিয়ে ১০ দিনের জন্য জেল খেটেছিলেন নোবেল জয়ী অভিজিৎ!….

ওয়েব ডেস্ক: নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদের অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় শিক্ষা জীবন নিয়ে জানার আগ্রহ সবারই থাকে। অনেকেই মনে করেন নোবেল জয়ী যখন শিক্ষা জীবন তাঁর সোনায় বাঁধানো। পড়াশুনো ছাড়া তিনি হয়তো আর কিছুই করেননি। কিন্তু এই ধারণা অত্যন্ত ভুল। বইয়ের সঙ্গে দিনরাত কাটেনি তাঁর, বরং ছাত্রজীবনে তিনি ছিলেন ডাকাবুকো ছাত্রনেতা। স্কুল জীবন কেটেছে কলকাতার সাউথ পয়েন্টে। সেখান থেকে প্রেসিডেন্সি কলেজ। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই প্রেসিডেন্সি কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতির ভিত গড়েন। এরই সঙ্গে এগিয়ে যায় তার শিক্ষাজীবন। দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পড়ার সময় তিনি ছাত্র রাজনীতিতে বেশ হাত পাকিয়ে ফেলেন।

জানলে অবাক হবেন, ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে এমন ভাবে জড়িয়ে পড়েন যে জেলও খাটেন। দেশদ্রোহিতার ধারা প্রয়োগ করে তাঁকে তিহার জেল বন্দি করা হয় ১০ দিনের জন্য। একটি সংবাদ মাধ্যমে নিজের ছাত্রজীবনের রাজনৈতিক ঘটনাক্রম নিয়ে জানান, তখনকার জেএনইউ-এর ছাত্র সংসদের সভাপতিকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। এর প্রতিবাদে উপাচার্যকে ঘেরাও করেছিল ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা। নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ নিজেও উপস্থিত ছিলেন সেখানে।

আরও পড়ুন : ফের অর্থনীতিতে বাঙালির নোবেল জয়

এরপরেই পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে তিহার জেলে পাঠায়। সেখানে তাঁদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা রজু করা হয়। নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ জানিয়েছেন, ওই সময় কেন্দ্র সরকারে কংগ্রেস বিশ্ববিদ্যালয়ের দখল নিতে চাইছিল। তার বিরুদ্ধেই প্রতিবাদে গর্জে উঠেছিল জেএনইউ-এর ছাত্র সংগঠন। সমাজের নৈতিক দিকের প্রতি তিনি দৃষ্টিপাত করতেন ছাত্রজীবন থেকেই। দেশের আর্থিক অবস্থা ও দারিদ্রতা নিয়ে তিনি পরবর্তীকালে গবেষণা শুরু করেন। কোথাও হয়তো ছাত্র জীবনের রাজনীতির গূঢ় উপলব্ধি হয়েতো রয়ে গেছে এখানে।