Date : 2021-05-09

খাঁটি বাঙালির নোবেল জয়, ধুতি আর শাড়ি পরে নোবেল মঞ্চে অভিজিৎ-এস্থার….

ওয়েব ডেস্ক:- বঙ্গ সন্তানের নোবেল জয়ের কথা ঘোষণা হতেই শুরু হয়েছিল আনন্দ উদযাপন। বিদেশের মাটিতে এবার খাঁটি দেশী পোশাকে দেখা গেল বাংলার নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী এস্থার দুফলোকে। এদিন নোবেল মঞ্চে প্রচলিত প্রথা ভেঙে ধুতি, পাঞ্জাবি আর জহরকোট পরে হাজির ছিলেন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বামীর পথে চলেছেন স্ত্রী এস্থার। তিনিও সবুজ পাড় নীল শাড়ি পরে উপস্থিত ছিলেন। স্বামীর সঙ্গে একই মঞ্চে পুরষ্কার নেন তিনি। অমর্ত্য সেনের পর অর্থনীতিতে বাংলাকে ফের নোবেল জয়ের স্বাদ পাইয়ে দিলেন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়

নিউজিল্যান্ডে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত,দ্বীপ থেকে সরানো হল পর্যটকদের

অক্টোবরেই ঘোষণা হয়েছিল দারিদ্র দূরীকরণ জন্য উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে গবেষণার জন্য নোবেল পুরষ্কার পেতে চলেছেন বঙ্গসন্তান অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। ভারতবর্ষের মতো দেশগুলির ক্ষেত্রে দারিদ্র দূরীকরণের জন্য তাঁর গবেষণা অত্যন্ত মূল্যবান বলেই মনে করা হয়েছে। নোবেল কমিটির পক্ষ থেকে অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী এস্থার দুফলোর কাজের বর্ণনা দিয়ে জানানো হয়েছে “দারিদ্র দূরীকরণের গবেষণা অভিজিৎ-এস্থারের মডেলটি অভিনব। তাঁরা গবেষণাগার থেকে বেরিয়ে মিশেছেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে।

দারিদ্রের মূল কারণ কী, তা আরও গভীর ভাবে বুঝতে সাহায্য করেছে তাঁদের গবেষণা।’’ ভারতীয় সময়ে রাত ৯ টা নাগাদ স্টকহোমের নোবেল পুরষ্কার মঞ্চে আনুষ্ঠানিক ভাবে অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী এস্থার দুফলোর হাতে পুরষ্কার তুলে দেওয়া হয়। স্টকহোমের নোবেল পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা নির্মলা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাই অনিরুদ্ধ বন্দ্যোপাধ্যায়।

আগামী ২০২২ সালের মধ্যে বিদেশি যন্ত্রাংশ ও সফটওয়্যার পাল্টানোর ভাবনা চিনের

পুরষ্কার মঞ্চে নোবেল কমিটি অভিজিৎ-এর কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, বিশ্ব সব দিক থেকে উন্নত হলেও বেশ কিছু দেশে রয়েছে স্কুল ছুটের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বহু কৃষক এখনও জৈব সার ব্যবহার করতে পারেন না। শিশু মৃত্যুর সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে। অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এই সব বিষয়ের উপর গবেষণা করেছেন। তাঁর গবেষণা আগামী দিনে পথ দেখাবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিন অভিজিৎ বন্ধ্যোপাধ্যায়দের সঙ্গেই পুরস্কার পেলেন আব্দুল লতিফ জামিল পভার্টি অ্যাকশন ল্যাব (জে-ল্যাব)-এর সহযোগী গবেষক মাইকেল ক্রেমারও। নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয় পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক জেমস এডুইন পেবেলসকে। রসায়নে নোবেল দেওয়া হয় জন বি গুডএনাফ, জন বি হুইটগামকে। এছাড়াও অস্ট্রীয় লেখক পিটার হান্টকেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।