Date : 2020-01-18

প্রেমে মত নেই! মেয়েকে কুচিয়ে স্যুটকেসে ভরে ফেলে দিল বাবা…

ওয়েব ডেস্ক:- বেশ কিছুদিন আগে উত্তর প্রদেশ থেকে মুম্বইতে ফিরেছিল মেয়ে। সেখানেই একটি বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করতে শুরু করে সে। এই পর্যন্ত সবই ঠিক ছিল, কিছুদিন পর পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন তাদের বাড়ির মেয়ে এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। এমনকি ওই যুবককে বিয়ে করার জেদ ধরেও বসে সে। এই বিষয়ে ঘোর আপত্তি ছিল তার বাবা অরবিন্দ তিওয়ারির। বাবার আপত্তি সত্ত্বেও মেয়ে নাছোড় বান্দা। মুসলিম ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা নিয়ে বাবার সঙ্গে প্রায়ই অশান্তি চলত মেয়ের।

আবার ভয়াবহ আগুন লাগল দিল্লিতে

মুম্বইয়ের ট্রাভেলিং এজেন্সিতে কর্মরত ছিলেন অরবিন্দ তিওয়ারি। দিনের পর দিন অশান্তির কারণে বাবা ও মেয়ের মধ্যে সম্পর্ক ক্রমশ তিক্ত হয়ে উঠতে থাকে। শুক্রবারও তাদের মধ্যে চূড়ান্ত অশান্তি শুরু হয়। মুসলিম ছেলেটিকে মেয়েটি বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জানতে পেরে মেয়েকে নিজের হাতে খুন করে বাবা অরবিন্দ তিওয়ারি। এরপর মেয়ের দেহটি টুকরো টুকরো করে কেটে একটি স্যুটকেসে ভরে ফেলেন। স্যুটকেসটি গায়েব করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি অটো নিয়ে ভিভান্ডি স্টেশনের দিকে যান তিনি। অটোর মধ্যেই ব্যাগটি ফেলে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা নেন অরবিন্দ।

পকসো আইনের প্রয়োগ কোথায়, প্রশ্ন আন্তর্জাতিক স্তরে

ব্যাগ থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় অটো চালক সন্দেহের বসে অরবিন্দকে প্রশ্ন করায় এলাকা থেকে ব্যাগ ফেলে চম্পট দেয় সে। আচমকা ওই ঘটনা ঘটে যাওয়ার অটো চালক স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এরপরেই খুনের বিষয়টি সামনে এসে যায়। পুলিশ ব্যাগটি উদ্ধার করে ব্যাগের মধ্যে থেকে তরুণীর টুকরো টুকরো দেহাবশেষ উদ্ধার করে। অটোচালককে জেরা করে পুলিশ অরবিন্দর সম্পর্কে জানতে পারে। এরপরেই অরবিন্দ খোঁজ পেয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নিজের মেয়েকে এইভাবে খুন করা কিভাবে সম্ভব হল, ঘটনার ভয়াবহতায় স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছে মুম্বই পুলিশ।