Date : 2022-05-26

২০১৪ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় রাজ্যের হলফনামা তলব আদালতের

ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়, সাংবাদিক:-মঙ্গলবার মামলার শুনানি শুরুতেই জনস্বার্থ মামলার গ্রহনযোগ্যতার প্রশ্ন তুলে রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রোনাথ মুখোপাধ্যায় আদালতে জানান এই জনস্বার্থ মামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।তিনি জানিয়েছেন ২০১৪সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হয়। ২০১৬সালে সেপ্টেম্বর মাসে রেজাল্ট বেড়িয়েছে। ২০১৯সালে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

এডভোকেট জেনারেল আর বলেন ৫-৬বছর কেটে যাওয়ার পর কেন জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হলো জানা নেই। যিনি মামলা দায়ের করেছেন তিনি শিক্ষক নয়, তিনি পরীক্ষার্থী নন,তাহলে কেন এই মামলা।শুধুমাত্র প্রচারে আসার জন্য এই ধরণের মামলা।
সুপ্রিম কোর্টের মামলা দায়ের হয়েছে এবং নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে।
প্রধান বিচারপতি:-এই ধরণের মামলা বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশন বেঞ্চে চলছে।এই ধরণের মামলা খারিজ করেছেন আপনি।এই মুহূর্তে ৩০হাজার চাকরিপ্রার্থী তাঁরা চাকরি করছেন।যিনি এই ধরণের মামলা উদ্দেশ্য প্রণোদিত মামলা।

গ্রূপসি, গ্রূপ ডি মামলা নয়।
পঞ্চম থেকে নবম দশম শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ মামলা এসএসসি পরীক্ষার নিয়ামক।
এটা প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক নিয়োগ।প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণীতে শিক্ষক নিয়োগ মামলা যা ৬বছর অতিক্রান্ত।

রাজ্যের এত মামলা রয়েছে প্রতিদিন যে ভাবে এই ধরনের মামলায় প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চে করা হচ্ছে তাঁতে বাকি মামলা গুলি শুনানিতে পিছিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন এডভোকেট জেনারেল।
মামলাকারি আইনজীবী তরুণ যোতি তিওয়ারি আদালতে জানিয়েছেন নিয়োগে বড় দুর্নীতি হয়েছে।সিবিআইয়ের তদন্ত প্রয়োজন রয়েছে।

মামলার শুনানির শেষে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্ত ও বিচারপতি রাজর্ষি ভারদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেন রাজ্যের বক্তব্য হলফনামা জানাতে হবে।মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৬ই মে।