Date : 2022-09-27

পুজো হবে মহম্মদ আলি পার্কে। তবে পুরসভার প্রস্তাব মেনে হবে পুজো।

নাজিয়া রহমান, সাংবাদিক : জট কাটিয়ে এবারেও পুজো হবে মহম্মদ আলি পার্কে। পুরসভার বিকল্প প্রস্তাব মেনে পার্কে তৈরি করা হবে পুজো মণ্ডপ। মহম্মদ আলি পার্কে রয়েছে পুরসভার শতাব্দী প্রাচীন ভুগর্ভস্থ জলাধার। মধ্য কলকাতায় সেই জল সরবরাহ হয়। বর্তমানে এই জলাধারের অবস্থা বেশ শোচনীয়। ২০১৯ সাল থেকে জলাধার মেরামতির কাজ চলছে। দু বছর মহম্মদ আলি পার্কের পাশে ফায়ার ব্রিগেডের মধ্যে হয়েছিল পুজোর আয়োজন। তবে গতবার থেকে ফের পার্কেই পুজোর আয়োজন করা হয়। তবে করোনা আবহে গতবার পুজো ওপেন মণ্ডপে করতে হয়েছিল। তাই তেমন কোনও রিস্ক ছিল না। তবে এবারে মহম্মদ আলি পার্কের পুজো মণ্ডপ নিয়ে বেশ কড়া পুরসভা। এবার সেই জলাধারের উপরই পুজোর মণ্ডপ তৈরির কাজ শুরু করেছিল পুজো কমিটি। বিষয়টি নজরে পড়তে মণ্ডপ তৈরির কাজ বন্ধ করে দেয় জল সরবরাহ দপ্তর। মহম্মদ আলি পার্কের পুজোকে কাজ বন্ধের নোটিসও ধরায় কলকাতা পুরসভা। তবে মঙ্গলবার ফের পুজো করার অনুমতি দিল পুরসভা।

সোমবার এই নিয়ে বৈঠকে বসেন কলকাতা পুরসভার জল সরবরাহ দপ্তরের ডিজি মৈনাক মুখোপাধ্যায় পুজো কমিটির সঙ্গে। মঙ্গলবার মহম্মদ আলি পার্ক পরিদর্শনে আসেন পুরসভার আধিকারিকেরা। পরিদর্শনের পর পুজো মণ্ডপ তৈরিতে গ্রীণ সিগনাল দিল পুরসভা। তবে জলাধারার উপরে নয়। বিপজ্জনক স্থান এড়িয়ে পার্কের ফাঁকা জমিতে দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল করা যাবে। আর জলাধারের উপর যে মণ্ডপ তৈরি হয়েছে তা ভেঙ্গে ফেলতে হবে। এমনভাবে মণ্ডপ তৈরি করতে হবে যাতে দর্শকেরা বাইরে থেকে প্রতিমা দর্শন করতে পারে। পুরসভার এই প্রস্তাবে রাজি পুজো কমিটির সদস্যরা। পুজোর সময় সাধারণ মানুষ মণ্ডপ পরিদর্শনে এসে যাতে কেনও রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে না পড়ে, তার জন্য পুরসভার সঙ্গে সবরকম সহযোগিতা করতে প্রস্তুত পুজো কমিটির সদস্যরা। কিন্তু ২০২৩এ পুজো যাতে ভালোভাবে করতে পারা যায় তারজন্যে পুরসভা যাতে আগে থেকে সঠিক জায়গা নির্বাচন করে দেন তা পুরসভার কাছে আর্জি জানিয়েছেন পুজো কমিটির সদস্যরা। এমনটাই জানিয়েছেন পুজো কমিটির যুগ্ম সম্পাদক অশোক ওঝা।