Date : 2024-04-18

প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ভোট প্রক্রিয়া কি ব্যহত হবে ! জেলাশাসকদের সঙ্গে কথা কমিশনের

সঞ্জু সুর, সাংবাদিক : দশ মিনিটের ঝড়ে তছনছ উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলা। ঝড়ের রেশ পড়েছে আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার বা দার্জিলিং জেলাতেও। রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন রয়েছে এই উত্তরবঙ্গেই। ফলে রবিবারের বিকালের ঝড়ের ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কত কি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেটা জানার জন্য সোমবারই জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর।

রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনে প্রথম দফার যে তিনটি আসনে নির্বাচন হবে সেগুলো হল কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি। আগামী ১৯শে এপ্রিল এই তিন আসনে নির্বাচন রয়েছে। তারপর দ্বিতীয় দফার নির্বাচন ২৫ শে মে, সেটাও উত্তরবঙ্গের আরও বেশ কিছু আসনে হবে। যদিও রবিবারের ১০ মিনিটের ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলা জলপাইগুড়ি তবে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার বা দার্জিলিং এর ও বেশ কিছু এলাকা ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এই ঝড়ের ফলে বিভিন্ন পোলিং প্রেমিসেস বা বুথের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিনা, হলেও সেটার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কতটা, সেই তালিকা তৈরীর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদেরকে। কোন কোন এলাকার কোন কোন বুথে ভোট হবে সেই বিষয়টি অনেক আগেই নির্ধারিত হয়ে থাকে। কমিশন দপ্তর সূত্রে খবর, এমনিতে পোল ডে বা ভোটের দিনের থেকে ৭ দিন আগে সেইসব বুথের সর্বশেষ পরিস্থিতি দেখে নেওয়া হয়। সেই হিসাবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে যদি কোন স্কুল বা যেখানে ভোট নেওয়া হবে সেই বুথ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে তা পরিবর্তন করতে হবে। ফলে এই বিষয়গুলো সম্পূর্ণভাবে জেনে নেওয়া কমিশনের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি যেহেতু রবিবারের এই ঝড়ে অনেক মানুষের বাড়িঘর ভেঙে গিয়েছে ফলে তাদের ভোটার কার্ড, আধার কার্ড সহ যে সমস্ত পরিচয় পত্র ভোটের কাজে ব্যবহার করা যায় সেগুলোর কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিনা, হয়ে থাকলে কতজন মানুষ এমন সমস্যায় পড়েছেন, সেই বিষয়গুলো দেখে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে। তবে কমিশন মনে করছে যেহেতু এখনো প্রায় সপ্তাহ দুয়েক হাতে সময় রয়েছে তাই আর ঝড় বৃষ্টি না হলে তেমন কোন সমস্যায় কমিশনকে পড়তে হবে না।