Date : 2020-12-05

ক্লাসের মধ্যেই প্রকাশ্য চুম্বন, বরখাস্ত ছাত্রছাত্রী

হাওড়া: লুচি আর পুরির মধ্যে পার্থক্য জানেন? না তফাৎটা তেমন কিছু নয়। তাহলে হামি আর চুমুর মধ্যে পার্থক্য কি বলতে পারেন? আর ক্লাস চলাকালীন চুম্বন করার সাহস দেখালে কি হতে পারে সে বিষয়ে অবশ্য সবার অভিজ্ঞতা নেই। হ্যাঁ, এবার সেই চেষ্টা নিয়ে পরীক্ষা করতে গিয়ে বিপাকে পড়ল একদল স্কুল পড়ুয়া। ক্লাস চলাকালীন শিবপুর বি ই কলেজ মডেল স্কুলের নবম শ্রেণীর তিনজন ছাত্র ও তিনজন ছাত্রী ক্লাসের মধ্যে পরস্পরকে চুম্বন করতে গিয়ে যত বিপত্তি। ভরা ক্লাসের সিসিটিভি ফুটেজে সেই আপত্তিকর দৃশ্যে চক্ষুশূল স্কুল কর্তৃপক্ষের। ঘটনার জেরে স্কুল কর্তৃপক্ষ রাতারাতি ওই ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবকদের ডেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট ধরিয়ে দেন। অক্টোবর মাসে ক্লাস চলাকালীন সহপাঠী তিন ছাত্রীকে চুমু খায় তিন ছাত্র, অন্য ছাত্ররা ঘটনাটি দেখে তাদের নিষেধ করে।

কিন্তু তাতে ফল না হওয়ায় তারা ক্লাস টিচারের কাছে অভিযোগ জানায় ওই ছাত্র-ছাত্রীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ পেয়ে ক্লাস টিচার ঘটনা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখলে সামনে আসে আসল ঘটনাটি। ওই তিনজোড়া ছাত্র ছাত্রীদের ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ক্লোজসার্কিট ক্যামেরায় বন্দি হয়।পড়ুয়াদের অভিভাবকদের ডেকেও ওই ফুটেজ প্রমান হিসাবে দেখানো হয়। এই ঘটনা স্কুলের কাছে অত্যন্ত অসন্তোষজনক বলে জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ঘটনার জেরে ২৬ ডিসেম্বর স্কুলের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয় অভিযুক্ত ছাত্র ছাত্রীর অভিবাবকদের। তবে বহিস্কার ছাত্রদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হতে পারে এই ভেবে তাদের ফাইনাল পরীক্ষা দিতে বাধা দেওয়া হয়নি। পরীক্ষায় পাস করার পর অভিয়ুক্ত চারজন ছাত্রছাত্রী অন্য স্কুলে ভর্তি হয়েছে। বাকি দুই পড়ুয়া এখনও অন্য স্কুলে যায়নি। তাই তাদের স্কুল ছাড়ার কথা বলা জানানো হয়েছে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে অভিযুক্ত ছাত্রদের অভিভাবকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা মুখ খুলতে চাননি। পাশাপাশি অন্যান্য অভিভাবকরাও এই ঘটনায় মন্তব্য করতে চাননি। তারা অবশ্য স্কুলের সিদ্ধান্তকেই স্বাগত জানিয়েছে।