Date : 2020-10-27

গড়িয়াহাট অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্য মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতা: শহরে বিগত এক বছর ধরে ঘটে চলা ভয়াবহ অগ্নিকান্ডগুলির নেপথ্যে যেমন দায়ী উপয়ুক্ত অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থার অভাব, তেমনই সমান ভাবে দায়ী অস্থায়ী দোকানগুলি। শহরের ৯০ শতাংশ ফুটপাথ অস্থায়ী দোকানের দখলে চলে গিয়েছে। প্লাস্টিক, ত্রিপল ও বৈদ্যুতিক তারের ফাঁসে বেহাল দশা হাতিবাগান, গড়িয়াহাটের মতো ব্যস্ততম রাস্তার। ফুটপাথের পাশ ঘেঁষে অস্থায়ী দোকানগুলি ঘিরে রেখেছে বড় বড় মার্কেট কমপ্লেক্সগুলিকে। ফুটপাথ দখল করে এভাবেই চলে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের বিকিকিনি। আর সেই মার্কেট কমপ্লেক্সগুলির কাঠামো কম করে ৭০ থেকে ৮০ বছরের পুরনো, তাই আগুন লাগলে এক নিমেষে গোটা অঞ্চল জতুগৃহের চেহারা নিয়ে ফেলে।

শহরে হকারদের আয়ের কথা ভেবে অস্থায়ী দোকান নিষিদ্ধ করে দিতেও পারছে না রাজ্য সরকার। কিন্তু এমন বিপদের হাত থেকে রক্ষা করতে গড়িয়াহাট অগ্নিকান্ডের পর ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের চাকা লাগানো গাড়ি দিতে চলেছে কলকাতা পুরসভা।

আরও পড়ুন: দুঃস্বপ্নের আগুনে ছাড়খার গড়িয়াহাটের প্রসিদ্ধ বস্ত্রবিপণি

সোমবার গড়িয়াহাট অগ্নিকান্ড প্রসঙ্গে এমনটাই জানালেন কলকাতা পুরসভা মেয়র ফিরহাদ হাকিম। চাকা লাগানো গাড়ি থাকলে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলে সহজেই দোকান স্থানান্তরিত করা যাবে। ফলে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়ার সম্ভবনা কম হবে।

এর আগে চাকা লাগানো গাড়ি দেওয়া হত শুধুমাত্র ফুটপাতে অস্থায়ী খাবার দোকানগুলিকে। এবার সমস্ত অস্থায়ী দোকানকে চাকা লাগানো গাড়ি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুরসভা। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গড়িয়াহাটকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীদের ২০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করে কলকাতা পুরসভা। প্রতিবছর ফায়ার অডিটের মাধ্যমে শহরের বড় বড় মার্কেট কমপ্লেক্সগুলিকে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা সম্পর্কে রিপোর্ট দিতে হবে দমকল দফতরের কাছে।