Date : 2020-10-31

কালীঘাট মন্দির সংস্কারের কাজে উদ্যোগী পুরসভা…

কলকাতা : দক্ষিণেশ্বর স্কাইওয়াকের উদ্বোধন মঞ্চ থেকেই কালীঘাট মন্দির সংস্কার ও দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের ধাঁচে স্কাইওয়াক নির্মাণের প্রস্তাব দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো কালীঘাট মন্দির সংস্কারের এবার উদ্যোগী হয়েছে কলকাতা পুর নিগম। সেই অনুসারে কালীঘাট মন্দিরের ব্যাবসায়ীদের পুনর্বাসন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা। আপাতত কালীঘাট মন্দিরের সামনের রাস্তাতেই ব্যাবসায়ীদের ঠাঁই হতে পারে বলে জানিয়েছে কলকাতা পুরসভা। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কালীঘাট মন্দিরের ব্যাবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে হাজির ছিলেন মেয়র পারিষদ দেবাশিষ কুমার, এবং মেয়র পারিষদ বৈশ্বানর চট্ট্যোপাধ্যায়। বর্তমানে সব মিলিয়ে কালীঘাট মন্দিরের ভিতর মোট ৮৭ টি স্টল আছে। পুজা সামগ্রী ছাড়াও নানা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বিক্রয়ের জন্য স্টলগুলি মন্দির মিটির থেকে জায়গা নিয়ে ব্যাবসা করে। তাই তারা মাসিক কিস্তিতে কিছু টাকা ভাড়া বাবদ দিয়ে থেকেন মন্দির কমিটিকে। পনেরো দিন আগেই মন্দির সংস্কারের কাজে পুর কর্মীরা হাত লাগাতেই ব্যাবসায়ীদের সমস্যা তৈরী হয় বেচা কেনার কাজে। এখন মন্দির সংস্কারের কারণে ব্যাবসায়ীদের জন্য যে পুর্নবাসন স্থান ঠিক হয়েছে কলকাতা পুরসভার তরফে তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বিশেষ করে দোকান ভাড়া বাবদ যে টাকা এতদিন তারা মন্দির কমিটিকে দিত সেই টাকা এখন কাদের হাতে তুলে দেবে তা নিয়ে ধন্দে ছিলেন ব্যাবসায়ীরা। বৈঠকে মেয়র পারিষদ দেবাশীষ কুমার অবশ্য এই সিদ্ধান্তের ভার মন্দির কমিটি ও ব্যাবসায়ীদের হাতে তুলে দিয়েছেন। এদিন বৈঠকের শেষে দেবাশীষ কুমার জানিয়েছেন, মন্দির সংস্কারের কাজ শেষ হলে প্রত্যেক ব্যাবসায়ী ৫৭ স্কোয়ার ফিটের একটি করে দোকান পাবেন। এখন অনেকের দোকান ছোট বা বড় আছে কিন্তু সংস্কারের পর সবার দোকানের আয়তন সমান হবে বলে জানানো হয়েছে। আপাতত ফেব্রয়ারী মাসের পর থেকে এই অস্থায়ী দোকানগুলি মন্দিরের সামনের রাস্তায় চালু হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।