Date : 2020-10-30

বন্ধ হয়ে যেতে পারে ২২০০টি রেশন দোকান…

হাওড়া: নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের আমদানি নেই দোকানে। খরিদ্দারের অভাবে ধুকছে রাজ্যের রেশন দোকানগুলি। ক্ষতির মুখে দাঁড়িয়ে এবার ন্যাশনাল ফুড সিকিউরিটি অ্যাক্ট-এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামতে চলেছে এই রাজ্যের রেশন মালিকরা। কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি পরিবর্তন না হলে দোকান বন্ধের হুমকি দিয়েছে রাজ্যের রেশন মালিকরা।

সোমবার হাওড়া ডোমজুরে রেশন ইউনিয়ানের বাৎসরিক সভায় রেশন মালিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা দাবি করেন, আগে প্রতিটি রেশন দোকানে থাকতো পাঁচ থেকে সাত হাজার রেশন কার্ড। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের এন.এফ.এস.এ নীতির কারণে সেই সংখ্যাটা এসে দাড়িয়েছে আড়াইশো থেকে তিনশো পর্যন্ত। যার ফলে প্রতি রেশন দোকানে মাসিক আয় দাড়িয়েছে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা।

এই সামান্য টাকা দিয়ে রেশন দোকান কর্মচারীদের বেতন, বিদ্যুতের বিল ও অন্যান্য খরচ চালতে নাভিশ্বাস উঠছে রাজ্যের রেশন মালিকদের। তাছাড়া আগে রেশন দোকানে খাতা, কলম, অন্যান্য খাবার, সাবান সহ অনেক জিনিসপত্র পাওয়া যেত। বর্তমানে সেসব জিনিসপত্র বাদ দিয়ে শুধু চাল, গম আর চিনি দেওয়া হয় রেশন দোকানে। আর সেই জিনিসও অনিয়মিত ভাবে এসে পৌঁছচ্ছে দোকানে। সমস্যার কথা একাধিকবার কেন্দ্রীয় খাদ্য সুরক্ষা দফতরে জানানো হলেও তাতে কর্ণপাত করেননি কর্তৃপক্ষ। তারই প্রতিবাদেই আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছে রেশন মালিকরা।  কলকাতা ও সদর রেশনের মালিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, রাজ্য সরকারের সহযোগিতা না থাকলে এতদিনে তাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যেত। কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির কারণে রাজ্যে প্রায় ২২০০ টি দোকান বন্ধ হতে চলেছে। ফলে সমস্যায় পড়তে পারেন সাধারণ মানুষ।