Date : 2020-10-26

নীলার উপকারিতা জানেন কি?

নানা ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে,অস্থিরতা,অলসতা,দুর্দশা কাটাতে,মানসিক শান্তি ফিরিয়ে আনতে শনি গ্রহের প্রতিকারে নীলা ব্যবহারে আপনি বিশেষ উপকার পেতে পারেন। কিন্তু নীলা যে কোউ চাইলেই ধারণ করতে পারেন না। বিশুদ্ধ নীলা ধারণ করার আগে এই রত্নটি তার সহ্য হয় কিনা ধারণকারীকে কয়েকদিন নিজের কাছে রেখে পরীক্ষা করে দেখে নিতে হবে। এই সময় যদি ধারণকারীর সঙ্গে কোনও দুর্ঘটনা ঘটে বা শরীর খারাপ হয়,সেক্ষেত্রে তাঁর নীলা ধারণ না করাই ভালো। শনি গ্রহের প্রতিকার করার জন্য ৫ থেকে ৮ রতি নীলা ধারণ করতে হয়। তবে মনে রাখবেন, যে কোনও রত্নই তিন মাস পর থেকে ফল দেয় আর উপরত্ন ফল দেয় ছয় মাস পরে।


১.খাঁটি নীলা চিনবেন কী করে,জানুন:
খাঁটি নীলার ক্ষেত্রে একটি পাত্রে গরুর বিশুদ্ধ দুধ রেখে তার মধ্যে রত্নটি ডুবিয়ে রাখলে দুধের মধ্যে থেকে নীল রঙের আভা বিচ্ছুরিত হতে থাকে।


২.নীলা ধারনের কাল:
যে কোনও অমাবস্যায় বা শনিবার নীলা ধারনের উপযুক্ত সময় হিসেবে মনে করা হয়।


৩.নীলার প্রপ্তির স্থান:
নীলা শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, রোডেশিয়া, থাইল্যান্ড-সহ ভারতের কিছু অঞ্চলে পাওয়া যায়। কাশ্মীরের ময়ূরকন্ঠী নীলাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নীলা বলে মনে করা হয়।


৪.নীলার আয়ুর্বেদিক শোধন পদ্ধতি:
আয়ুর্বেদ মতে, নীল গাছের রসে নীলা শোধন করা উচিত। তবে শাস্ত্রীয় মতে গ্রহ পূজা করেও নীলা শোধন করা যায়।


৫.নীলার ধারণের স্থান:
শরীরের ঊর্দ্ধাঙ্গ সর্বশ্রেষ্ঠ স্থান। তবে হাতের মধ্যমায়ও নীলা ধারণ করা যায়।


৬.নীলার ধারণের ধাতু:
সোনা বা সীসায় সঙ্গে নীলা ধারণ করতে হয়।