Date : 2020-11-01

ক্রমশ ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে উঠছে নদীর জল…

নদিয়া: নদীর জল দূষিত হয়ে যাওয়ায় সেই জল ব্যবহার করতে না পেরে, বেশ কিছুদিন যাবৎ চরম সমস্যায় পড়েছেন নদিয়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কৃষ্ণগঞ্জ এলাকার বাসিন্দারা। প্রায় ৫২ কিলোমিটার বিস্তৃত বাংলাদেশের মাথাভাঙা নামের এই নদীটি বিজয়পুর সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করেছে। বর্তমানে নদীটির জল এতটাই দূষিত ও দুর্গন্ধযুক্ত যে নদীর পার্শ্ববর্তী বাসিন্দাদের নদীর কাছাকাছি যেতে হলে নাকে কাপড় চাপা দিয়ে যেতে হচ্ছে। উপরন্তু নিয়মিত নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া স্থানীয় মৎস্যজীবীরা এখন মাছ ধরা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। নদীর জল ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যাওয়ার কারণে অভূতপূর্ব ক্ষতি হচ্ছে নদী সংলগ্ন চাষের জমিগুলিতে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এর আগেও একবার বাংলা দেশে অবস্থিত একটি চিনির কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য ড্রেন দিয়ে প্রতিনিয়ত মাথাভাঙা নদীতে ফেলার কারণে নদীর জল দূষিত হয়ে গিয়েছিল। তবে মাঝে কিছুদিন বন্ধ থাকলেও ইদানিং কালে প্রায় প্রতি মাসেই বাংলাদেশের বিভিন্ন কল-কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য মাথাভাঙা নদীর জলে ফেলার কারণে সেই জল ভারতে ঢুকে চূর্ণী নদীর জলকে দূষিত ও ব্যবহারের অনুপযোগী করে তুলছে। এই পরিস্থিতি বেশিদিন চলতে থাকলে এলাকার মৎস্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে চাষের কাজে অভূতপূর্ব ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের দাবি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে এই সমস্যার সমাধান করুক স্থানীয় প্রশাসন।