Date : 2020-10-25

বড় ব্যবধানে জয়ে খেতাবের আশা ইস্টবেঙ্গলের

ওয়েব ডেস্ক: ভালোবাসার রঙ লাল। আর আইলিগের রঙ লাল-হলুদ। ভালোবাসার দিনে ৫-০ গোলে ম্যাচ জিতে সমর্থকদের ভালোবাসা কুড়িয়ে লিগ তালিকায় তিন নম্বরে উঠে এলো আলেজান্দ্রোরা। শেষ ল্যাপের প্রত্যেকটা ম্যাচই ছিল ডু অর ডাই। গ্যালারিতে ২৫ হাজার সমর্থককের চোখ তখন মাঠের দিকে। হ্যাটট্রিক করে লাল-হলুদ জনতার ভ্যালেন্টাইন লালদানম্যাভিয়া রালতে। সেই সঙ্গে প্রায় ১৫ বছর পর আই লিগ জয়ের আশায় বুক বাঁধছেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। তবে এখনো তাদের সামনে বাকি আরো পাঁচটা ম্যাচ। সেই ম্যাচে একই ভাবে জয়ের ধারা কতটা বজায় রাখতরে পারবে ইস্ট বেঙ্গল তার উপর নির্ভর করছে লিগ জয়ের স্বপ্ন। এদিন মাঠে লাজংয়ের গতি সামলাতে পাসিং ফুটবলের উপর জোর দিয়েছিল ইস্ট বেঙ্গল। ইস্ট বেঙ্গলের এই গেম স্ট্রাটিজির পাশে টিকতেই পারেনি পাহাড়ি দলটি।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ আটের লেগে পিএসজি

প্রথমার্ধেই ৪ গোল দিয়ে জয় নিশ্চত করে ফেলেন জবিরা। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে শান্ত স্বভাবের দ্যানম্যাভিয়া জানান, ‘প্রথম ভারতীয় ফুটবলার হিসেবে চলতি আই লিগে হ্যাটট্রিক করতে পেরে দারুণ লাগছে। তবে শেষ কয়েকটা ম্যাচে দলের স্বার্থে নিজের পারফরম্যান্সকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই আমি।’ খালিদের পর দানম্যাভিয়াকে চলতি মরশুমেও ধরে রেখেছে ইস্টবেঙ্গল। ফলে আইনিগে মাঝ মাঠের এখন একমাত্র নায়ক এই মিজোরামের ফুটবলারটি। শুধু মাঝ মাঠের ফরওয়ার্ড বল সাপলাই দিয়েই তার কাজ শেষ হয় না। ইস্টবেঙ্গলের গোটা মাঠ জুড়েই এখন শুধুই দানম্যাভিয়ার কারিশ্মা। জবির পর ৭ গোল করে ম্যারাথন লিগে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনিই। মোহনবাগানের বিরুদ্ধে প্রথম লেগে জোড়া গোল করে নায়ক হয়ে উঠেছিলেন। এরপর থেকে আলেজান্দ্রোর কোচিংয়ে লাল-হলুদ মাঝমাঠে তাঁর পারফরম্যান্স যেন আরও তীক্ষ্ম হয়েছে। বৃহস্পতিবার ম্যাচের শেষে চওড়া হাসি হেসে মাঠ ছেড়ে ইস্টবেঙ্গল দর্শকদের একটাই আর্জি, বাকি ম্যাচেও এভাবেই জয়ের ধারা বজায় রাখুক ইস্টবেঙ্গল।