Date : 2019-08-26

ভোররাতে পুড়ে ছাই সাপুরজি মার্কেট

কলকাতা: কখনো বহুতল, কখনো আবার ঘিঞ্জি মার্কেট, একের পর এক অগ্নিকান্ডে জতুগৃহে পরিনত হয়েছে শহর করলকাতা। আগুন লাগার বিষয়ে তদন্তকারীদের অনুমান, অসুরক্ষিত ভাবে রাখা দাহ্য বস্তু ও তার অসতর্ক ব্যবহারের ফলেই অগ্নিকান্ড হয়ে চলেছে বার বার। বার বার সতর্ক করা হলেও হুঁশ ফিরছে না শহরের। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টে নাগাদ বিধ্বংসী অাগুনের গ্রাসে যায় নিউটাউনের সাপুরজি মার্কেট। অন্তত পক্ষে ২০ থেকে ৩০ টি অস্থায়ী দোকানে আগুন লাগে। আগুনের ভয়াবহতা এতটাই ছিল যে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন কর্তব্যরত একজন দমকলকর্মী। স্থানীয় সূত্রে খবর, ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েন দুজন ব্যবসায়ী ও ওই দমকল কর্মীকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রায় ২ ঘন্টা লাগাতার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। দমকল সূত্রে খবর, ওই মার্কেটে বেশির ভাগ ঝুপড়ি দোকান রয়েছে। ঘিঞ্জি এলাকাটিতে রয়েছে বেশ কয়েকটি হোটেল রেস্টুরেন্টও। প্রাথমিক অনুমান, বৃহস্পতিবার ভোর রাতে কোন একটি হোটলের গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। এলাকায় দাহ্য বস্তু থাকায় আগুন ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে পড়ে। একের পর এক গ্যাস সিলিন্ডার বিষ্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। প্রথমে দমকলের দুটি ইঞ্জিন আগুন নেভাতে চেষ্টা চালালেও ব্যর্থ হয়। এক ঘন্টা পর দমকলের আরও দুটি ইঞ্জিন আসায় পরিস্থিতি কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে কি থেকে এই ভয়াবহ আগুন লাগল তা এখনো সঠিক ভাবে জানা যায়নি। স্থানীয়দের কথায়, মার্কেটের মধ্যে অনেক দোকানেই থাকত গ্যাস সিলিন্ডার। তাছাড়া দোকান গুলিতে বৈদ্যুতিন সংযোগ ত্রুটিপূর্ণ ছিল। এর ফলে শর্ট সার্কিট হওয়ার প্রবনতা থেকেই যায়। ফলে আগুন খুব সহজে ছড়িয়ে পড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দমকল এদিন আগুন নেভাতে গিয়ে আগে এলাকা থেকে সরিয়ে ফেলে গ্যাস সিলিন্ডার, ফলে বিষ্ফোরণের সম্ভবনা কমে। তবে পকেট ফায়ারের সম্ভবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ।