Date : 2020-10-29

সন্তানদের রেখে চলে গেলেন বড়মা

কলকাতা: শতায়ু লাভ করেছিলেন তিনি, কিন্তু মা সন্তানের সান্নিধ্যের কাছে সহস্র বছরও কম সময়। সন্তানদের রেখে অমৃতলোকে যাত্রা করলেন তিনি। গতবছর অষ্টমীতে বড়মার শতবর্ষের জন্মদিন পালিত হয়েছে। তার ঠিক পাঁচমাস পর ভক্তকে শোকের আঁধারে ডুবিয়ে চলে গেলেন মতুয়াদের প্রাণের বড়মা বীণাপাণি দেবী।

মঙ্গলবার রাত ৮:৫২ মিনিটে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে জীবনাবসান হয় তাঁর। বুধবার এসএসকেএম থেকে যশোর রোড দিয়ে ঠাকুরনগরে নিয়ে যাওয়া হবে বড়মা-এর দেহ। সেখানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে তাঁর। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে ৬ জন মন্ত্রীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সুষ্ঠভাবে সম্পাদনের জন্য।

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইতিমধ্যে ঠাকুরনগরে বড়মার বাসভবনের সামনে অগনিত ভক্ত ও অনুরাগীরা ভিড় জমাতে শুরু করেছেন। বড়মার মৃত্যুতে ট্যুইট করে শোকপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “উনি আমাদের সময়ের একজন আইকন ছিলেন। সামাজিক ন্যায় ও সংহতির ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ভোলার নয়। গত মাসেই আমার সৌভাগ্য হয়েছিল তাঁর আশীর্বাদ গ্রহণের। আমি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের কথা চিরকাল মনে রাখব।”

এছাড়া শোকপ্রকাশ করে ট্যুইট করেছেন বিজেপির একাধিক নেতা ও কর্মীরা। বড়মার সঙ্গে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনি বলেন, “এটা আমাদের কাছে এক অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি সবার কাছে মায়ের মতো ছিলেন।” ভক্ত ও অনুরাগীদের দর্শনের পর তাঁর স্বামী প্রমথরঞ্জন ঠাকুর সমাধির পাশেই তাঁকে সমাধিস্থ করা হবে।