Date : 2019-06-25

পড়ে রইল ডিলিট, চলে গেলেন বীণাপাণি দেবী

কোচবিহার: ঘোষণা হয়ে গিয়েছিল আগেই, সেই মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজনও করা হয়েছিল। ততদিন সময় অবশ্য দিলেন না। পড়ে বইল ডিলিট, চলে গেলেন বড়মা। কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় বিশেষ বার্ষিক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ডিলিট সম্মানে ভূষিত করার কথা ছিল বড়মা বীণাপাণি দেবীকে। বুধবারে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আগেই মঙ্গলবার রাত ৮:৫২ নাগাদ এসএসকেএম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বড়মা। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করে পালন হল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন। এদিন এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তথা পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ প্রাপ্ত বিজ্ঞানী অধ্যাপক বিকাশ সিনহা, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বনমন্ত্রী বিনয় কৃষ্ণ বর্মন প্রমূখরা।

এবছর স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর বিভাগে উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ৫৬জন দেওয়া হয় স্বর্ণপদক এবং ৬৬ জন পান রৌপ্য পদক। মোট ১২১জন কে এই পদক তুলে দেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। এর পাশাপাশি স্নাতকোত্তর স্তরে উত্তীর্ণ ১০৪৮ জন এবং স্নাতক স্তরে উত্তীর্ণ ৩৮৫৪ জনকে শংসাপত্র প্রদান করা হয়। রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য এদিন বলেন, বীণাপাণি দেবী অর্থাৎ বড়মার আকস্মিক প্রয়াণে শোকাহত। দুঃখের বিষয় যে তাঁর হাতে এই ডিলিট সম্মান তুলে দেওয়া গেল না। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দেব কুমার মুখোপাধ্যায় এদিন বলেন, এবছর এই সমাবর্তনে ডি লিট উপাধিতে ভূষিত করার কথা ছিল মতুয়া মহাসঙ্ঘের প্রধান বীণাপাণি দেবীকে। কিন্তু তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে তাকে আর এই সম্মান প্রদান করা গেল না। এতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শোকাহত। এদিন সমাবর্তনে উপস্থিত সকলেই বড়মার জন্য শোকপ্রকাশ করেন।