Date : 2020-12-05

সুষ্ঠ নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর কমিশন, জারি করল ১০টি নিয়ম

ওয়েব ডেস্ক: সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষনা হতেই দেশ জুড়ে লাগু হয়েছে নির্বাচনী বিধি। সমস্ত রাজনৈতিকদলগুলি তাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে শুরু করেছে এবং প্রচারকার্যে নেমে পড়েছেন প্রার্থীরা। নির্বাচন প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠভাবে সম্পাদন করতে জারি করা হয়েছে বেশ কিছু নির্দেশিকা । দশটি অতিরিক্ত নিয়ম সংযোজিত হয়েছে এই নির্দেশিকায়, যা আগে কখনো ছিল না

একনজরে দেখে নেওয়া যাক সুষ্ঠ নির্বাচন করতে কি কি নিয়ম এনেছে নির্বাচন কমিশন।

১. আগে ইভিএম মেশিনের বোতাম টিপে দিলেই ভোটদান পর্ব হয়ে যেত শেষ, কিন্তু নিশ্চিত হওয়ার কোনও উপায় ছিল না, যে সঠিক স্থানে ভোট দিলেন তাতেই ভোটটি পড়ল কিনা , বিরোধীরা বারবার অভিযোগ আনায় এবার নিয়ম পালটে যাচ্ছে। ভোটদানের পর ভিভিপ্যাটের মাধ্যমে একটি প্রিন্ট আউট দেখতে পাবেন ভোটাররা। বেছে নেওয়া দলেই ভোটটি পড়ল কিনা দেখে নেওয়ার পরই সেটি প্রিন্টার ড্রপ-বক্সে চলে যাবে ।

২. এইবার প্রথম নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা প্রার্থীদের ব্যক্তিগত আয় সংক্রান্ত ফাইল জমা দিতে হবে।

৩. এবার চাকরিজীবী ভোটারদের জন্য থাকছে ইলেকট্রনিক ট্রান্সমিটেড পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা ।

৪. কোন প্রার্থীর ক্রিমিনাল রেকর্ড থাকলে তথ্য হিসাবে টিভির পর্দায় ও সংবাদ পত্রে অন্তত তিনবার দেখাতে হবে ।

৫. প্রতি বিধানসভার অন্তর্গত অন্তত একটি বুথের দায়িত্বে থাকবেন শুধুমাত্র মহিলারা ।

৬. বুথে কোনরকম ঝামেলার ঘটনা ঘটলে সি-ভিজিল অ্যাপের মাধ্যমেই অনায়াসেই খবর পৌঁছে যাবে নির্বাচন কমিশনের কাছে। গন্ডোগোলের ছবি তুলে পাঠিয়ে দিলেই, মুহুর্তের মধ্যে পৌঁছে যাবে ফ্লাইং স্কোয়াডের হাতে আর পরিস্থিতি বুঝে তখনই ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন।

৭. এবার পোলিং বুথে শুধুমাত্র ভোটার স্লিপ দেখালে দেওয়া যাবে না ভোট, ভোটারদের সচিত্র পরিচয়পত্র হিসাবে দেখাতে হতে পারে ভোটার বা আধার কার্ড।

৮. দৃষ্টিহীন ভোটাদের জন্য থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা । ইভিএম মেশিনে দলের প্রতীক এবং প্রার্থীর নাম এবার লেখা থাকবে ব্রেইল অক্ষরেও। ফলে দৃষ্টিহীন ভোটারা সহায়তা ছাড়াই দিতে পারবেন ভোট ।

৯. ভোট প্রচারে বড় মাধ্যম হতে চলেছে সোশ্যাল মিডিয়া, তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভোট প্রচার সংক্রান্ত যাবতীয় খরচের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে। এছাড়াও ২৪ ঘন্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় নজর রাখবে নির্বাচন কমিশন।


১০.
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সভা সমিতির অনুমতি চাওয়ার জন্য চালু করা হয়েছে নতুন অ্যাপ “সুবিধা”। সঠিক নথিপত্র দেখাতে পারলে এই অ্যাপের মাধ্যমেই মিলবে অনুমতি। কোনভাবে যদি প্রশাসন সভার অনুমতি বতিল করে তবে তার প্রকৃত কারণ দর্শাতে হবে।

সন্তানকে আঁকড়ে ভোটের ময়দানে প্রয়াত বিধায়ক সত্যজিতের স্ত্রী