Date : 2021-04-21

বীরভূমে প্রচারে বাতাসার মাহাত্ম্য, বাস্তবের আলোয় মিশে হতাশা

কলকাতা: “পিতলের রেকাবিতে কয়েকটি বাতাসা নিয়ে মেয়ের বিয়ের কথা পেড়েছিলেন নবীন বাঁড়ুজ্জ্যে।” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘শুভদৃষ্টি’ গল্পে বর্ণিত আছে বাঙালির অতিথি আপায়্যনের এই রীতি বেশ পুরনো। গ্রীষ্মের দুপুরে তেতে পুড়ে এসে বাড়ির উঠোনে দাঁড়ালে একঘটি জলের সঙ্গে দুটো বাতাসা দিয়ে অতিথি সেবার রেওয়াজ রয়েছে।

গনগনে আগুণের আঁচে জল,চিনি আর গুড় পাক দিয়ে তৈরি করা হয় এই সামান্য মিষ্টি খাবারটি। মুদির দোকানের কাঁচের শিশি থেকে ঠোঙায় ঠোঙায় বিক্রি হয় বাতাসা। এখন অবশ্য অতিথি আপ্যায়নে বাতাসা খাওয়ানোর রীতি দেখা যায় না। শহর কলকাতা থেকে গ্রাম গৃহস্থ বাড়ির ঠাকুর ঘরে, পুজো-পার্বনে এখনো বাতাসার চাহিদা রয়ে গেছে বাঙালির জীবনে।

২ থেকে ৪ সেন্টিমিটারের বাতাসা আকৃতিতে সুদৃশ্য নাহলেও বাতাসা তৈরি করতে বেশ পরিশ্রম হয়। বাতাসা তৈরিতে কাঁচামাল হিসাবে কয়লা, চিনি, গুড় প্রয়োজন হয়। ভোট আসে ভোট যায়। চলে নেতাদের প্রতিশ্রুতির বন্যা। বীরভূমের শাসকদলের নেতা অনুব্রত মণ্ডলের প্রচারে বার বার শিরোনামে উঠে এসেছে গুড়-বাতাসার নাম।

বাজারে প্রতিটি জিনিসই ক্রমশ অগ্নিমূল্য হচ্ছে। বাতাসার উৎপাদন সামগ্রির মূল্যও চড়ছে। টিম টিমে আলোয় কাজ করে চলেছে বাতাসা কারিগররা। শহরে কয়লার ব্যবহার বন্ধ করে দিতে চলেছে সরকার। ভোটের মুখে তাদের ভবিষ্যৎ কোথায় দাঁড়িয়ে আছে? কী কী প্রভাব পড়েছে জিএসটি বা নোটবন্দির? জানতে দেখুন….