Date : 2019-10-17

কলেজে তান্ডবের জেরে এফআইআর, রিপোর্ট তলব করল কমিশন

কলকাতা: মঙ্গলবার শহরে অমিত শাহর রোড শো-কে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় কলেজ স্ট্রিট চত্বর। বিদ্যাসাগর কলেজে অমিত শাহর রোড শো পৌঁছাতেই ভাঙচুর শুরু হয় কলেজ ক্যাম্পাসে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর।

তৃণমূলের দাবি, বিদ্যাসাগর কলেজ ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের উপর হামলা চালিয়েছে বিজেপির বহিরাগত দুষ্কৃতীরা। বিদ্যাসাগরের মূর্তিও ভেঙেছে তারাই। পাল্টা বিজেপির অভিযোগ, কলেজগুলিতে উষ্কানি দেওয়া হয়েছে। বিজেপিকে বদনাম করতেই এই ষড়যন্ত্র করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারা।

এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেন, ক্যাম্পাসের বাইরে ছিলাম আমরা। সন্ধ্যেবেলা কলেজে কি করছিল ছাত্ররা? এই ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি করেন উত্তর কলকাতার বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহা। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার আর্জি জানান তিনি।

বিজেপির তরফে অভিযোগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে প্রধানমন্ত্রীর হোডিং, ফ্লেক্স ভাঙা হয়। এমনকি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতর থেকে পাথর ছোঁড়া হয়। বিজেপির দাবি, তৃণমূল ছাত্র পরিষদ বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভেঙেছে। তৃণমূলের দাবি, বহিরাগত এনে অমিত শাহর রোড শো করা হয়েছে।

এদিন অমিত শাহ বলেন, ”কলকাতায় বিজেপির রোড শো দারুণ সাড়া পেয়েছে। বহু মানুষ অংশ নিয়েছেন। এটা দেখে তৃণমূলের গুন্ডারা মরিয়া হয়ে উঠেছিল। সে জন্যই হামলা চালিয়েছে।”

মঙ্গলবারের ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের তরফে জোড়াসাঁকো থানায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বিদ্যাসাগর কলেজের আক্রান্ত ছাত্র-ছাত্রীরা আর্মহার্স্ট স্ট্রিট থানায় অমিত শাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে। ভাঙচুরের ঘটনায় ইতিমধ্যে ১০০ জনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।