Date : 2019-08-23

টাকা দিলে নিন, কিন্তু বিজেপিকে ভোট নয়: মমতা

ওয়েব ডেস্ক: পঞ্চম দফা শেষ হতেই ষষ্ঠ দফা ভোটে বাঁকুড়ায় সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের হয়ে প্রচারে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রচার মঞ্চ থেকে তাকে ফের একবার নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহকে আক্রমণ করতে শোনা গেল। নির্বাচনী প্রচার পর্ব এখন প্রায় শেষ লগ্নে।

যতই দিন এগিয়ে আসছে ততই বাক্ যুদ্ধ চড়ছে রাজ্যে শাসক বিরোধী উভয় পক্ষেরই। ষষ্ঠ দফায় নির্বাচন হতে চলেছে, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর, বিষ্ণুপুর, পুরুলিয়া, ঘাটাল, ঝাড়গ্রাম, কাঁথি এবং তমলুকে। রাণিবাঁধের সভায় কি বললেন তৃণমূল নেত্রী, একঝলকে…

  • দুর্গাপুজোর নামে মা কালির ছবি দেয়, এদিকে ধর্মের নামে দাঙ্গা বাধায়।
  • উন্নয়নের বদলে দেশে হিংসার রাজনীতি করছে ওরা।
  • আচ্ছে দিন আসলে বিজেপির মিথ্যে প্রতিশ্রুতি। ১৫ লক্ষ টাকা দেবে বলে দেয়নি।
  • আমি সব ধর্মই মানি। মরে গেলেও বিজেপির স্লোগান দেব না। আমাদের স্লোগান, জয় হিন্দ, বন্দে মাতরম, জয় জওয়ান জয় কিষান, মা-মাটি-মানুষ।
  • আমি সব ঠাকুর, সব সংস্কৃতি, সব ধর্ম মানব, শুধু তুমি যাকে মানতে বলবে তাকে মানব না।
  • দেশ ভক্তির নামে দেশের দুর্যোগ নরেন্দ্র মোদী।
  • নরেন্দ্র মোদীর আমলে দেশে ৩ কোটি ছেলে মেয়ের চাকরি গেছে।
  • মোদীর আমলে ১২ হাজার কৃষক না খেতে পেয়ে আত্মহত্যা করেছে।
  • ভোট চাইতে আসলে টাকা দিলে নিয়ে নেবেন। কিন্তু ভোট বিজেপিকে দেবেন না।
  • এতদিন কেন দেখা ছিল না, ভোটের সময় বসন্তের কোকিল হয়ে উড়ে এসেছে মোদী।
  • এর আগে নোট বাতিল করেছে। কোনদিন ব্যাঙ্ক বাতিল করে দেবে নরেন্দ্র মোদী।

বাঁকুড়ার সভা থেকে এদিন কাজের খতিয়ান তুলে ধরে ঢেলে উন্নয়ন করার কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন….

  • বাংলায় আমরা কৃষকদের খাজনা মকুব করেছি। কৃষি জমিতে মিউটেশন ফি মকুব করেছি। জেলায় জেলায় তৈরি করেছে কৃষক মান্ডি। কৃষি বিমার প্রিমিয়াম দিচ্ছি।
  • বাঁকুড়ার মানুষের জলকষ্ট দুর হয়েছে। জেলা পরিষদকে নির্দেশ দিচ্ছি জল ভরো জল ধরো প্রকল্পের উপর যেন তারা নজর রাখে।
  • বিজেপি এখনও মাওবাদী সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। ছত্তিশগড়, ঝড়খন্ডে আজও মাওবাদী সমস্যা অব্যহত। বাংলায় কিন্তু জঙ্গলমহল মাওবাদী মুক্ত।

এদিন সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি কথা শোনান। এদিন পুরুলিয়ায় সভা করেন রাহুল গান্ধী। রাজ্যে আজ বিজেপির হয়ে ভোট প্রচার করেছেন নির্মলা সীতারমন ও অমিত শাহ। দিল্লি শেষ পর্যন্ত কার দখলে থাকে সেই দিকেই তাকিয়ে দেশের রাজনৈতিক মহল।