Date : 2020-09-27

সাসপেন্ড হতেই বিজেপিতে মুকুল পুত্র, ৪ পুরসভা হাত ছাড়া ঘাসফুলের

ওয়েব ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ ছাড়াও ভোট প্রচারে এসে গেরুয়া শিবিরের একাধিক শীর্ষ নেতা বার বার দাবি করেছেন , ভোটের ফলাফল প্রকাশিত হলেও রাজ্যে ক্রমশ শক্তি ক্ষয় হতে শুরু করবে তৃণমূল কংগ্রেসের।

অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদীর ভবিষ্যৎ বাণী সফল করে ফল প্রকাশ হতেই দলত্যাগের হিড়িক পরে গেছে রীতিমতো। দীনদয়াল মার্গে বিজেপির সদর দফতরে মঙ্গলবার তৃণমূলের সাসপেন্ড হওয়া বিধায়ক মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু রায় সহ বিষ্ণুপুরের তুষারকান্তি ভট্টাচার্য ও হেমতাবাদের সিপিএম বিধায়ক দেবেন্দ্র রায় গেরুয়া শিবিরে যোগ দিলেন।

শুধু তাই নয় চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান সহ কাঁচরাপাড়া থেকে ১৪, হালিশহর থেকে ১৮, নৈহাটি পুরসভা থেকে ১৭ কাউন্সিলর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন। অন্যদিকে আজ ভাটপাড়া থেকে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং-এর নেতৃত্বে ১৯ জন কাউন্সিলর বিজেপিতে যোগ দিলেন।

এখানেই শেষ নয় ভাতার জেলা পরিষদের সদস্য শান্তনু কোনার, খানাকুল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নইমুল হক এবং জেলা পরিষদের সদস্য সঞ্জীব বরও যোগ দিলেন বিজেপিতে। এদিন কৈলাশ বিজয়বর্গীর নেতৃত্বে মুকুল রায় গেরুয়ার মাঝে প্রষ্ফুটিত কমল অঙ্কিত পতাকা তুলে দিলেন তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানকারী নেতা নেত্রীদের হাতে।

একদা এই মুকুল রায়ের হাত ধরেই রাজ্যে সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগদানের হিড়িক পড়ে গিয়েছিল। তখন সেই সুবিধা নিয়েছিল তৃণমূল। আজ সেই একই প্রক্রিয়ায় গেরুয়া শিবিরকে চাঙ্গা করতে ব্যস্ত মুকুল রায়।

নরেন্দ্র মোদী নির্বাচনী সভায় রাজ্যে এসে জানিয়েছিলেন তৃণমূল থেকে কম করে ৪০ জন বিধায়ক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এদিন মুকুল রায় ও কৈলাশ বিজয়বর্গী জানান, যে হারে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে নেতা নেত্রীরা চলে আসছেন তাতে রাজ্যে কিছুদিনের মধ্যেই শাসকদলের কর্মী-সদস্য সংখ্যা তলানিতে এসে ঠেকবে।