Date : 2019-07-21

শহরের নামী বেসরকারি স্কুলের শৌচাগারে উদ্ধার ছাত্রীর রক্তাক্ত দেহ

ওয়েব ডেস্ক: দক্ষিণ কলকাতার একটি নামী স্কুলে ছাত্রীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ালো। শুক্রবার তাকে স্কুলের শৌচাগারে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্রের খবর, মৃত ছাত্রীর বাড়ি রাণীকুঠি এলাকায়। তার বাঁ হাতের শিরা কাটা ছিল এবং মুখ একটি প্লাস্টিক দিয়ে আটকানো ছিল। শুক্রবার বেলা ২ টো নাগাদ সে শৌচাগারে গিয়ে আর ফিরে না আসায় তার শিক্ষিকা খোঁজ করেন।

তখনই শৌচাগারে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। মৃতদেহের পাশ থেকে পুলিশ তিনপাতার একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আত্মহত্যা করেছে কৃত্তিকা। মুখে প্লাস্টিক বেঁধে বাঁ হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছে সে।

ছাত্রী শৌচাগারে ঢুকে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করল, অথচ সেটা কেউ টেরও পেল না, এটা কি সম্ভব? স্কুলের নিরাপত্তা নিয়েও উঠছে বিস্তর প্রশ্ন। ২০১৭ সালে এই নামী বেসরকারি স্কুলে ছাত্রীর যৌন নিগ্রহের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছিল স্কুল। এবার সেরকম ঘটনা ঘটার আগেই গোটা স্কুলে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। স্কুলের ভিতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিক্ষিকা ও কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ।