Date : 2019-10-24

“মেয়েদের স্বাধীনতা, পড়াশোনা করা ও ঘরের বাইরে বেরোনোই ধর্ষণের প্রধান কারণ”, বললেন ডি.জি.পি. ভিকে সিং…

ওয়েব ডেস্ক: প্রতিদিন খবরের কাগজের প্রথম পাতা উল্টাতে না উল্টাতেই ধর্ষণের খবর চোখে পড়টা যেন একটা নিত্য ঘটনার আওতায় পড়ছে।  রোজ ডাল-ভাত খাওয়ার মতোই যেন গুরুত্ব এই ঘটনাগুলিরও।

যদিও সেটা হওয়াটা একটি নিন্দনীয় ঘটনা। কিন্তু এরকম একটি সমাজে যদি মানুষ ববাস করে যেখানে সমস্ত বিপদে রক্ষাকারী ও সমাজের একটি শক্ত আশ্রয় পুলিশের কাছ থেকেই শুনতে হয়, “সমাজে এখন মেয়েদের স্কুলে যাওয়া, পড়াশুনা করা ও স্বতন্ত্রভাবে এগিয়ে যাওয়াই ধর্ষণ ও অপহরণের কারণ”,

তাহলে সেই সমাজের বুকে দাঁড়িয়ে কার কাছে সাহায্য চাইবে সাধারণ মানুষ?  মধ্যপ্রদেশের কিছুদিন আগে একটি ৮ বছরের মেয়ে বাড়ি থেকে বেরোয়ে পাড়ার দোকান থেকে কিছু কিনতে যাওয়ার জন্য। কিন্তু অনেক্ষণ সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও যখন মেয়েটি পেরে না, তখন পরিবারের লোকেরা আশেপাশে খোজ করে। সেকানেও না পেয়ে দারস্ত হয় পুলিশের। কিছু ঘন্টা পরে বালিকাটির দেহ মেলে ভোপালের কমলা নগরে।

পোস্ট মর্টেম রিপোর্টে লেখা ছিল, ধর্ষণের পর গলা টিপে মেরে ফেলা হয়েছে তাকে। এরকম পর পর অনেক ঘটনারই সম্মুখিন হয় মধ্যপ্রদেশ। সেই কারণেই একটি সংবাদপত্রের সঙ্গে বৈঠক ডাকে মধ্যপ্রদেশ পুলিশ।

দেখুন সেই ভিডিও

সেখানেই ডি.জি.পি. ভিকে সিং বলেন, ” আই.সি.পি. 363 একন একটি ট্রেন্ড হয়ে দাঁডিয়েছে। মেয়েরা স্বতন্ত্র হচ্ছে। তবে তারা যত স্বাধীন হচ্ছে ততই অপহরণের মতন অপরাধ বাড়ছে। স্কুল, কলেজ, রাস্ত-ঘাটে ভিন্ন লোকদের সাথে মিশছে, তাতে হচ্ছে বিপদ।

অনেক সময় মেয়েরা নিজের ইচ্ছায়ও চলে যায়, ও পরে রিপোর্ট করা হয় যে অপহরণ করা হয়েছে। বেশিরভাগ সময়ই অসুবিধাগুলো হয় যখন তারা ঘর থেকে বাইরে বেরোয়”। এই মন্তব্য ঝড় তোলে সারা ভারতে।

বিশ্বাস অবিশ্বাস – বুদ্ধি দিয়ে যার ব্যাখ্যা মেলে নাদেখুন আজ রাত ১০ টায় শুধুমাত্র #Rplusnews এ#Newsrplus, #Biswas_Abiswas,

Posted by RPLUS News on Monday, July 8, 2019

তাঁর কথার পরিপ্রেক্ষিতে কিছু না বললেও মধ্যপ্রদেশের সেল হেড শোভা ওজা বলেন, মেয়েদের উপর অত্যাচার কোনোভাবেই সঠিক নয়। তাই এরপর থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও উন্নত করা হবে”।