Date : 2021-02-26

চন্দ্রে পৌঁছতে চন্দ্রকান্তকেই ভরসা ইসরোর, দেখুন তাঁর তৈরি অ্যান্টেনার কেরামতি…

ওয়েব ডেস্ক: মাত্র কিছুক্ষণ আগে, সারা বিশ্বের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে চাঁদের পথে পাড়ি দিল চন্দ্রযান-২। সেই সঙ্গে পাড়ি দিল বাংলার ছোট্ট এক পরিবারের ছেলে চন্দ্রকান্ত কুমারের একরাশ স্বপ্ন। দরিদ্র মা-বাবা হাওড়ার শিবপুরের বাড়িতে বসে তখন ছেলের সাফল্যের প্রহর গুনছে। টিভির পর্দায় চন্দ্রযান-২ উৎক্ষেপণের কাউন্ডাউন শুনে গর্বে বুক ফুলে উঠছে তাঁদের। চন্দ্রযান-২প্রকল্পের ডেপুটি ডিরেক্টর বাঙালী বিজ্ঞানী চন্দ্রকান্ত কুমার।

পেশায় কৃষক মধুসূদন কুমার হুগলীর গুড়াপের শিবপুরের বাসিন্দা। সেই পরিবারেরই বড় ছেলে চন্দ্রকান্ত কুমার। চন্দ্রযান-২ মিশনের ডেপুটি প্রজেক্ট ডিরেক্টর। তিনি স্যাটেলাইট সিস্টেমের ইনচার্জও যা চাঁদের রোভার এবং পৃথিবীতে মিশন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে একটি যোগাযোগ নিশ্চিত করার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

পালন করে। এর আগে চন্দ্রযান-১ অভিযানেও একটি অ্যান্টেনা বানিয়েছিলেন চন্দ্রকান্ত। ধনিয়াখালি হাইস্কুলের ছাত্র চন্দ্রকান্ত কুমারের তৈরি অ্যান্টেনায় ভরসা করে এখন চাঁদকে নাগালে পেতে পারে ইসরো।

ভিডিও সৌজন্যে ইসরো

ছোট থেকেই অসামান্য মেধাবী চন্দ্রকান্ত বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনো করেন। বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক হওয়ার পর রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করে ২০০১ সালে ইসরোয় চাকরি পান তিনি। তিনি বলেছেন, ইসরোয় চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে কখনও ভাবেননি চাঁদের বিষয়ে। এই চিন্তা প্রথম শুরু হয় ভারতে প্রথম চন্দ্রযান-২ পাঠানোর সময় থেকে।

চন্দ্রযান-১-এর সেই বিশেষ অ্যান্টেনাটি তৈরির জন্য তিনি ২০০২ সাল থেকে মন প্রাণ দিয়ে কাজ করেন। মঙ্গলযান পাঠানোর সময়ও তাঁর তৈরি অ্যান্টেনার উপর ভরসা ছিল ইসরোর। এবার চন্দ্রযান-২ উৎক্ষেপণের আগেও তার উপরই ভরসা রাখলো ইসরো। চন্দ্রযান-১, মঙ্গলযানের পর চন্দ্রযান-২-এর উৎক্ষেপণেও বাঙালী বিজ্ঞানী চন্দ্রকান্ত কুমারের মেধায় ভরসা রাখছে ইসরো। তাঁকে ছাড়া ইসরোর চন্দ্রযান-২ উড়বেই না!