Date : 2019-09-19

চিকিৎসকদের দাবি, পাখির মল-মূত্রে রয়েছে মারণ রোগের জীবানু….

ওয়েব ডেস্ক: শখ করে পাখি পোষেন বা পাখির ব্যবসা করেন বহু মানুষ। তারা হয়তো কেউই জানেন না পাখির মল বা বিষ্ঠার মধ্যে রয়েছে প্রায় ৬০টির বেশি ধরনের ঘাতক জীবানু। কর্নাটক ভেটেরিনারি, অ্যানিম্যাল অ্যান্ড ফিসারিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে, পাখির মল বা বিষ্ঠা থেকে নানা রকমের রোগ-জীবানু সংক্রমিত হতে পারে। সাধারণ শ্বাসকষ্ট, জ্বর থেকে শুরু করে নিউমোনিয়া ও মেনিনজাইটিসের মতো ভয়াবহ রোগের জীবানু থাকতে পারে পাখীর বিষ্ঠায়।

ফুসফুসে সংক্রমণের সম্ভবনা থাকে যারা পাখির দৈনন্দিন পরিচর্যা করেন। স্কটিশ স্বাস্থ্য সচিব জিন ফ্রিম্যান জানান, পাখির বা বিশেষ করে পায়রার মল বা বিষ্ঠা থেকে মারাত্মক সব রোগ-জীবানু ছড়াতে পারে। ক্যান্ডিডায়সিস নামের মারাত্মক ছত্রাকের সংক্রমণ হতে পারে পায়রার মল বা বিষ্ঠা থেকে। ক্যান্ডিডায়সিসের মতো সংক্রমণ মারাত্মক পর্যায় পৌঁছে গেলে ফুসফুসের ব্যাপক সংক্রমণ হতে পারে।

এই ধরনের রোগের জীবানু পাখির বিষ্ঠা শুকিয়ে গেলে তার মধ্যে বাসা বাঁধে। তাই বাড়ির চারপাশে কোথাও জমে থাকা পাখির মল পরিষ্কার করতে হলে আগে সেই জল দিয়ে ভিজিয়ে নিন। বিশেষ কর পায়রার মল পরিষ্কার করার সময় নাক-মুখ ভালো করে ঢেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন। মল পরিষ্কার হয়ে গেলে স্থানটিকে জীবাণু মুক্ত করার জন্য কীটনাশক বা ফিনাইলের ব্যবহার করুন।

বাড়িতে শিশু ও বয়স্ক থাকলে পাখী না পোশাই ভালো। বিশেষ করে পাখীর বিষ্ঠা থেকে একধরনের জীবানু বাতাসে ভাসে। যা সরাসরি শিশু ও বৃদ্ধদের ফুসফুসে বাসা বাঁধতে পারে। তাই পাখী পুষলে সতর্কতা অবশ্যই অবলম্বন করুন। আরও বেশি পরিচ্ছন্নতা রাখুন বসত বাড়ি।