Date : 2024-02-26

৬৬ তম বর্ষে উৎসবের আঙিনায় সুরুচীর ভাবনায় ঐক্যের ‘উৎসব’…

ওয়েব ডেস্ক: উৎসব পরম্পরার মেল বন্ধনে, উৎসবের নেই জাতি, ধর্ম এমনকি ভাষগত ভেদাভেদ। আনন্দ করতে গেলে শুধুই মনের ভাষা মিলে যায়। ধনী, দরিদ্র বা মধ্যবিত্তের ভেদাভেদের বাইরে উদযাপন করা উৎসবের রঙ বড় মধুর। প্রাসাদ হোক বা ছোট্টো কুটির প্রতিটি আশ্রয়স্থলই একটি উপাসনালয়। রঙ-বেরঙরের সেই বৈচিত্র উৎসবের আঙিনায় এসে মিলে যায়। ধর্ম, জাতির ভেদাভেদ ভুলে উৎসবে আঙিনায় সকলের মিলন তীর্থ হয়ে উঠতে চলেছে সুরুচী সংঘ।

প্রতি বছরই বিভিন্ন ধরনের নজরকাড়া থিমের মাধ্যমে নানান ধরনের বিষয় তুলে ধরা হয় সুরুচী সংঘের পুজো মণ্ডপে।এবারও তার ব্যতিক্রম নয়।এবারে ৬৬ বছরে পদার্পণ করল সুরুচির পুজো।৬৬ বছরে পা রেখে এবারে পূজো উদ্যোক্তাদের ভাবনায় উঠে এসেছে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, উঁচু, নীচু সব ভুলে ‘উৎসব’-র আনন্দে মেতে ওঠা।প্রাচীন বনেদি বাড়ি, সুসজ্জিত একটি কুঁড়ে ঘর এবং অট্টালিকার সহাবস্থান দেখা যাবে এবারের সুরুচীর পুজো মণ্ডপে। মণ্ডপের ছাদে দেখা যাবে একখণ্ড মেঘে ঢাকা আকাশ। শহরের বদ্ধজীবনে এ যেন মুক্তির ঠিকানা।

মণ্ডপের মধ্যে থাকবে হাতেটানা পাখা, গৃহস্থলির এমন কিছু জিনিস যা প্রাত্যহিক জীবন থেকে অনেকটাই ফিকে হয়ে গেছে। “মা” শব্দটির আবেগকে ব্যবহার করেছে এখানে। সুরুচীর মণ্ডপে প্রবেশ করলে দেখবেন মৃন্ময়ী মাতৃমূর্তি থেকে কেমন আমাদর জন্মদাত্রী মা মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছেন।এবার সুরুচীর পুজোর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ পরিবেশ বান্ধব LED লাইট। সুরুচি সঙ্ঘের পুজোর উদ্বোধন হয়েছে, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিখ্যাত গীতিকার জিৎ গাঙ্গুলী, চিত্র পরিচালক সৃজিত মুখার্জী, মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস, স্বরূপ বিশ্বাস এবং আরও অনেকে।অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করা হয় গানের মাধ্যমে যার গীতিকার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

সুরুচি সঙ্ঘের পুজোয় প্রতিমা তৈরি থেকে ভাবনা, পরিকল্পনা ও সৃজনে রয়েছেন শিল্পী ভবতোষ সুতার।প্রাচীন জরাজীর্ণ বনেদি বাড়ি, সুসজ্জিত কুঁড়েঘর আর অট্টালিকার সমাহারের দেখা মিলবে এবারের সুরুচি সঙ্ঘের পূজোয়।এবারের মণ্ডপ তৈরিতে ব্যবহার করা হযেছে বাঁশ, কাঠ, কাপড়, ইঁট, লোহা এবং প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজারের ওপর তারজালির বাক্স।