Date : 2021-05-10

২৩ দিন পরেই রায় দান, একনজরে অযোধ্যা মামলার ৭০ বছরের সালতামামি….

ওয়েব ডেস্ক: ১৮৮৫, বিতর্কিত নির্মাণের বাইরে একটি ছাউনি তৈরি করতে চেয়ে ফৈজাবাদ জেলা আদালতে আবেদন করেন মোহন্ত রঘুবীর দাস। আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।

১৯৪৯, বিতর্কিত নির্মাণের বাইরে মূল গম্বুজের তলায় রামলালার বিগ্রহ স্থাপিত হয়।

১৯৫০, রামলালার বিগ্রহ পুজো করার অধিকার চেয়ে ফৈজাবাদ জেলা আদালতে মামলা করেন গোপাল সিমলা বিশারদ, পূজার্চনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য আদালতে আপিল করেন পরমহংস রামচন্দ্র দাস। রামলালার রক্ষণাবেক্ষণ তিনিই করতে থাকেন।

১৯৫৯, অযোধ্যার ওই জায়গার অধিকার চেয়ে আদালতে মামলা করে উত্তরপ্রদেশের সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড।

১লা ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৯ বিতর্কিত চৌহদ্দি হওয়ায় স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেয় এলাহাবাদ হাইকোর্ট।

৬ ডিসেম্বর, ১৯৯২ বাবরি মসজিদ ধ্বংস।

৩ রা এপ্রিল ১৯৯৩, বিতর্কিত ক্ষেত্রের জমি কেন্দ্রের সরকার যাতে অধিগ্রহণ করতে পারে, তার জন্য তার জন্য অযোধ্যার নির্দিষ্ট জমি অধিগ্রহণ আইন পাশ হয়, আইনের বিভিন্ন দিককে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টে একাধিক লিখিত আবেদন জমা পড়ে। আপিলকারীদের মধ্যে একজন ছিলেন ইসমাইল ফারুকি।

সংবিধানের ১৩৯ ধারা বলে নিজের এক্তিয়ার প্রয়োগ করল সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্টে যত আপিল মলতুবি ছিল সেগুলি সে দেখতে শুরু করল।

২৪ অক্টোবর ১৯৯৪, ঐতিহাসিক ইসমাইল ফারুকি মামলায় সুপ্রিম কোর্ট বলল, ইসলামর সঙ্গে মসজিদ অবিচ্ছেদ্য নয়।

এপ্রিল ২০০২, বিতর্কিত জায়গা কার তা নিয়ে শুনানি শুরু করল হাইকোর্ট।

৩০ সেপ্টেম্বর ২০১০, ২-১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিতর্কিত ক্ষেত্রকে তিন ভাগে ভাগ করার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। এক ভাগ সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের, আর এক ভাগ নির্মোহী আখড়ার, তৃতীয় ভাগ রামলালার।

আরও পড়ুন : #BREAKING NEWS: শেষ হল অযোধ্যা মামলার শুনানি, রায় ২৩ দিন পর

৯ মে, ২০১১, অযোধ্যা জমি বিতর্কের উপর দেওয়া হাইকোর্টের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ দি সুপ্রিম কোর্ট।

২১ মে ২০১৭, প্রতিদ্বন্দ্বীদের আদালতের বাইরে ঝামেলা মিটিয়ে নিতে বললেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জেএস কেহর।

৭ আগস্ট ২০১৭, ১৯৯৪ সালের এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে যেসব আবেদন করা হয়েছিল, সেগুলির শুনানির জন্য তিন বিচারপতির বেঞ্চ গড়ল সুপ্রিম কোর্ট।

৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, দেওয়ানি আপিলগুলির শুনানি আরম্ভ করল সুপ্রিম কোর্ট

২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮, পাঁচ সডদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চে মামলা সুপারিশের আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। ২৯ অক্টোবর থেকে মামলার শুনানি নতুন তিন বিচারপতির বেঞ্চে মামলার শুনানির নির্দেশ দেওয়া হল।

৮ জানুয়ারি ২০১৯ মামলার শুনানির জন্য পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ গড়ল সুপ্রিম কোর্ট। বেঞ্চের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। বিচারপতি ইউইউ ললিত অব্যাহতি নেওয়ায় নতুন করে বেঞ্চ সাজাল সুপ্রিম কোর্ট।

২৯ জানুয়ারি ২০১৯ বিতর্কিত চৌহদ্দির চারপাশে অধিগৃহীত ৬৭ একর জমি প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়ার াবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হল সুপ্রিম কোর্ট।

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সুপ্রিম কোর্ট মধ্যস্থতায় জোর দিল। আদালতের নিয়োগ করা মধ্যস্থতাকারী বহাল করা হবে কি না, সে ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়ার জন্য ৫ মার্চ দিন ধার্য করা হল।

৮ মার্চ ২০১৯ বিতর্কে মধ্যস্থতার জন্য সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এফএমআই কলিফুল্লার নেতৃত্বাধীন একটি প্যানেলের নাম সুপারিশ করল শীর্ষ আদালত।

১ আগস্ট ২০১৯ মধ্যস্থতার রিপোর্ট একটি সিল করা খামে সুপ্রিম কোর্টে পেশ।

৬ আগস্ট ২০১৯ অযোধ্যা জমি বিতর্কের মামলা শোনার জন্য প্রতি দিনের শুনানি আরম্ভ করল সুপ্রিম কোর্ট।

১৬ অক্টোবর ২০১৯ ৪০ দিনের ম্যারাথন শুনানি শেষ হল, রায়দানের কাউন্টডাউন শুরু।