Date : 2019-11-18

দীপাবলির দ্বিতীয় দিনে নেপালে হয় কুকুর পুজো….

ওয়েব ডেস্ক: কথিত আছে মহাপ্রস্থানের পথে পঞ্চ পাণ্ডবের সঙ্গী হয়েছিল একটি সারমেয়। মহাভারতে এই সারমেয়টিকে স্বয়ং ধর্মরাজ যমের দূত হিসাবে বর্ণনা করা আছে। দীপাবলির দ্বিতীয় দিনে নেপালে এই সারমেয়কে পুজো করার রীতি প্রচলিত আছে। একে “কুকুর তেওহার” বলা হয় নেপালে। বাড়ির পোষ্য হোক বা রাস্তার সারোমেয়, এই দিন নেপাল জুড়়ে চলে কুকুর পুজো। কপালে চন্দন, সিঁদুরের তিলক, গলায় মালা পড়িয়ে বসানো হয়, তারপর যে কুকুর যা খেতে ভালোবাসে তাকে তাই খেতে দেওয়া হয় গুছিয়ে। ডিম, দুধ, মাছ, মাংস এই সবই থাকে খাদ্য তালিকায়। ঋকবেদে বলা হয়েছে, কুকুরদের জননী সমসারই ইন্দ্রকে তাঁর গবাদি পশু খুঁজে দিতে সাহায্য করেছিল।

শিবের অবতার ভৈরবেরও বাহন কুকুর। নরকের দরজাও পাহারা দেয় দু’‌টি কুকুর। তাদের মোতায়ে করেছেন খোদ যমরাজ। নেপালে পাঁচ দিন ধরে দীপাবলি পালিত হয়। প্রথমদিন কাককে পুজো করেন নেপালিরা। দ্বিতীয় দিন সারমেয় এবং তৃতীয় দিনে পুজো করা হয় গরুর। নরকের দরজাও নাকি পাহারা দেয় কুকুর। ধর্মরাজ যমের সঙ্গে তাই সম্পর্ক রয়েছে কুকুরের। দীপাবলির চতুর্থ দিনে কেউ কেউ পাহাড়, নদী পুজো করেন। যেমন দীপাবলির পর গোবর্ধন পুজোর চল রয়েছে উত্তর ভারতে। নেপালের এই কুকুর পুজো রীতি গ্রহণ করে মেক্সিকো। ২০১৬ সাল থেকে সেখানেও কুকুর পুজোর রীতি প্রচলিত আছে।