Date : 2019-12-15

ডায়বেটিসে আক্রান্ত? বাড়িতে বানিয়ে যত ইচ্ছে রসগোল্লা খান….

ওয়েব ডেস্ক: আপনার ডায়বেটিস আছে। রসগোল্লার নাম শুনলে ডাক্তারবাবু চোখ গোল্লা করে বলেন নিশ্চয়ই….

“না… একটাও খাবেন না”।

কি আজব জন্মদিনেই যমের সঙ্গে দেখা হলে কেমন হয়? ক্যালেন্ডারে একটাই দিন ১৪ নভেম্বর, ডায়বেটিস আর রসগোল্লা দিবস একই দিনে। ডায়বেটিসের জ্বালায় ভুগছেন বলে রসগোল্লা মিস করবেন কেন? আপনার প্রিয়জন ডায়বেটিক? রসগোল্লা দিবসে তাকে রসগোল্লা খাইয়ে চমকে দিন। ভাবছেন মিষ্টি খেলে অসুস্থ হয়ে পড়বেন সে? একেবারেই নয়। সমস্যার সমধান করাই আছে এই প্রকৃতিতেই। স্টিভিয়া নামে বিরল প্রজাতির এই গাছ এখন রীতিমতো চাষ করা হয়।

এই গাছের একটি পাতা অবিশ্বাস্য রকমের মিষ্টি। চিনির থেকে প্রায় ৩ গুন বেশি মিষ্টি হওয়া সত্ত্বেও ডায়বেটিসের যম এই গাছের পাতা। স্টেভিয়া দেখতে অনেকটা আমাদের দেশের আলু গাছের মতো। এগুলো ১২ থেকে ১৬ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়। গাছের পাতা, শেকড় থেকে শুরু করে সবকিছুর আকৃতির আলু গাছের মতোই।

তবে গাছগুলোতে ফুল এবং ফল হয়। ফলের বীজ থেকে চারাও উৎপাদন করা যায়। বহুল আলোচিত এ উদ্ভিদের জন্ম দক্ষিণ আমেরিকায়। দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় সব জায়গায় স্টেভিয়া পাওয়া যায়। বিভিন্ন তথ্য মতে জানাগেছে, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যেমন ব্রাজিল, উরুগুয়ে, আমিরিকা, জাপান, আর্জেন্টিনা, চিলি, ভেনেজুয়েলা, ইসরাইল, থাইল্যান্ড এবং চীনসহ প্রভৃতি দেশে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হচ্ছে। তবে জাপানীজরা সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারি। তারা তাদের মোট চিনি চাহিদার শতকরা ৪০ ভাগ এই স্টেভিয়া গাছ থেকে সংগ্রহ করে থাকে। ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ রেসিপি জেনে রাখুন, ডায়বেটিসের ভয় না পেয়ে আনন্দ নিন রসগোল্লা দিবসের….

উপকরণ:-

জল- পরিমান মতো

চিনি- চিনির বদলে দিন স্টিভিয়া পাতার রসে তৈরি চিনি

বেকিং পাউডার- দু চা চামচ

এলাচ গুঁড়ো- এক চা চামচ

ছানা- এক কাপ

জাফরান- সামান্য

ময়দা- এক চা চামচ

প্রথমে জল ফুটিয়ে স্টিভিয়া পাতার রস থেকে তৈরি চিনি ঢেলে সিরা তৈরি করুন। একটি পাত্রে ছানা, বেকিং পাউডার আর ময়দা নিন। ভালো করে মেখে ছোট ছোট গোলা তৈরি করুন। এরপর সেগুলো ফুটন্ত রসে দিয়ে কিছুক্ষণ কম আঁচে নাড়াচাড়া করুন। গরম অবস্থায় কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। রসগোল্লা ফুলে উঠলে বুঝবেন হয়ে এসেছে। নামানোর আগে সামান্য জাফরান দিয়ে পরিবেশন করুন ডায়বেটিস রোগীকে। আপনার প্রিয় জনের মুখে ফুটে উঠবে মিষ্টি হাসি।