Date : 2020-02-26

ট্রাফিক সিগন্যালে হর্ন বাজানোর জরিমানা দিতে হবে মূল্যবান সময়

ওয়েব ডেস্ক: অফিস টাইমে ট্রাফিক সিগন্যাল! বড্ড বিরক্তিকর তাই না? শহর কলকাতায় অবশ্য সেই বিরক্তি এড়িয়ে যেতে রবীন্দ্রসঙ্গীত, মোনোপল এলইডি-তে আপনার পছন্দের বিজ্ঞাপন হাজির থাকে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। কিন্তু যারা মুম্বই ঘুরে এসেছেন তারা জানেন ট্রাফিক সিগনালে দাঁড়িয়ে থাকার বিরম্বনা কি। গাড়ির লাগাম ছাড়া এয়ার হর্নে কানের একেবারে দফারফা অবস্থা হবে। ট্রাফিক জ্যামের শব্দ দুষণে মুম্বইয়ের নাম এখন “হংকিং ক্যাপিটাল অফ দ্য ওয়ার্ল্ড”। ট্রাফিক সিগনালে রেড লাইট থাকলেও আপনার পিছনে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির হর্ন নাজেহাল করে দেবে আপনাকে। কিন্তু কেন? যতক্ষণ রেড সিগন্যাল তত জোরে গাড়ির হর্ন বাজালেই সবুজ হয়ে যাবে? সেখানকার বাসিন্দাদের অভ্যাসটাই বোধ হয় এমন হয়ে গেছে। সমস্যার সমাধানে পিছিয়ে নেই মুম্বই পুলিশও। হর্ন বাজানো বন্ধ করতে অনবদ্য ব্যবস্থা নিয়েছে তারা।

রেড সিগ্যনাল এখন বদলে গিয়েছে “পানিশমেন্ট সিগন্যালে”। মুম্বইয়ের ট্রাফিক জ্যামে লালবাতি দেখে তীব্র হর্ন বাজালে এবার গন্তব্যে আর সময় মতো পৌঁছতে হবে না আপনাকে। ডেসিবিল মাপার বিশেষ সেন্সার বসানো হয়েছে সিগন্যাল পোস্টে। শহরের শব্দ দূষণ মাপাবে সেই যন্ত্রটি। ৯০ সেকেন্ডের সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকার সময় অনবরত হর্ন বাজলে বিপদ বাড়বে আপনারই।

সেন্সারে এমন ব্যবস্থা করা আছে যে ৮৫ ডেসিবিলের উপর শব্দের মাত্রা পৌঁছে গেলে রেড সিগন্যালের সময়সূচী ৯০ সেকেন্ড করে বাড়তে থাকবে। যত শব্দ বাড়বে তত বাড়বে সিগন্যালের সময়। টাকা দিয়ে নয় বরং ব্যস্ততার মুহুর্তে আপনার মূল্যবান সময় জরিমানা করবে মুম্বই ট্রাফিক পুলিশ। মুম্বই পুলিশের পানিশমেন্ট সিগন্যালের পাল্লায় পড়লে কান ধরে শিখিয়ে দেবে, “Honk More Wait More”।

ইন্ডিগোর বিরুদ্ধে ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে মানহানি মামলা কুণালের

আপাতত সিএসএমটি , ব্যান্দ্রা, পিডার রোড ও মেরিন ড্রাইভে বসানো হয়েছে ডেসিবিল মিটার। ট্যুইটারে এই ভিডিও শেয়ার করেছে মুম্বই পুলিশ। কড়কড়ে নোট দিয়ে নয়, শব্দ দূষণের জরিমানা এবার গুনতে হবে আপনার মূল্যবান সময় দিয়ে।