Date : 2020-06-02

চন্দননগর ও শ্রীরামপুর মহকুমায় ১৭ মে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ, নির্দেশ হুগলির জেলাশাসকের

করোনায় জেরবার গোটা দেশ, রাজ্য। করোনা ভাইরাসকে বোতলবন্দি করার আগেই হুগলির চন্দননগরের তেলেনিপাড়া ব্যতিব্যস্ত অন্য ঘটনায়। বচসা, বিবাদ, মারপিট। হুগলি জেলা প্রশাসন অবশ্য তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নিয়েছে। গুজব ও হিংসায় উসকানি রুখতে তালা মেরে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবাতেই। মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ব্রডব্যান্ড পরিষেবাও। ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ড পরিষেবা বন্ধের আওতায় রাখা হয়েছে শ্রীরামপুর ও চন্দননগর মহকুমার সব এলাকাকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এই পদক্ষেপ জরুরি হলেও সমস্যায় পড়েছেন ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকরা। করোনার জেরে স্কুল-কলেজ বন্ধ। বিকল্প পথ হিসাবে অনলাইনে চলছে পঠনপাঠন। ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় যাতে ছেদ পড়েছে।

তেলেনিপাড়ার ঘটনায় অভিযোগ জানাতে মঙ্গলবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের দ্বারস্থ হয়েছিলেন হুগলির বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। সেই প্রতিনিধি দলে ছিলেন আরও কয়েকজন। বুধবার সটান হুগলির জেলাশাক ওয়াই রত্নাকর রাওয়ের দরবারে উপস্থিত হন লকেট চট্টোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গী ছিলেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তবে জেলাশাসক না থাকায় দেখা হয়নি। হুগলির বিজেপি সাংসদের এই ভূমিকাকে অবশ্য নাটক বলেই কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। হুগলি জেলা তৃণমূলের সভাপতি দিলীপ যাদব বলেছেন, লকেট নাটকের লোক, তাই নাটকই করছেন তিনি। বিজেপি সাংসদ এলাকায় বছরভর নিরুদ্দেশ থাকেন বলেও কটাক্ষ করেছেন দিলীপ যাদব।