Date : 2021-09-20

প্রাথমিক শিক্ষক পর্ষদের চেয়ারম্যানকে আর্থিক জরিমানা করল কলকাতা হাইকোর্ট

স্নেহাশীষ চট্টোপাধ্যায় রিপোর্টার : গোড়াতেই গলদ খেসারত দিতে হলো প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে ১৯ জন মামলাকারী কে ₹২০,০০০ টাকা করে ৩,৮০০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে হাইকোর্টের নির্দেশঅন্যথা হলে কঠোর পদক্ষেপ করবে আদালত।

মামলার বয়ান অনুযায়ী ২০১৪ সালের মার্চ মাসে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ছটি প্রশ্ন ভুল ছিলঅভিযোগ মামলাকারীদের। সেই প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছিল পরীক্ষার্থীরা কিন্তু উত্তর দেওয়ার পরেও পরীক্ষার্থীদের নম্বর দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগে ২০১৮ সালে মামলাকারী পায়েলবাগ সহ ১৯ জন পরীক্ষার্থী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন । সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন এই প্রশ্ন নিয়ে বিভ্রান্তি তাই বিশ্বভারতীর বিশেষজ্ঞ কমিটি কে দিয়ে যাচাই করা হোক এই প্রশ্নগুলো ঠিক না ভুল। বিশ্বভারতী বিশেষজ্ঞ কমিটি তারা জানিয়ে দিয়েছিলেন প্রশ্নগুলোর সঠিক নয় ।

এর পরেই বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছিলেন যারা যারা মামলা করেছেন তাদের সকলকেই এই ছ’নম্বর দিতে হবে।২০১৮,২০১৯, এবং ২০২০এই সময়ের মধ্যে কলকাতা হাই কোর্টের সিঙ্গেল থেকে ডিভিশন বেঞ্চ হয়ে জল গড়িয়ে যায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত।যদিও পর্ষদের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয় বহু পরীক্ষার্থীদের নিয়োগ করা হয়েছে।কিন্তু যাঁরা যাঁরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তাঁদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হয়নি তাই চাকুরির দৌড়ে তাঁরা পিছিয়ে পড়ছেন।

শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তুলোধনা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে। তিনি মন্তব্য করেন ৬ প্রশ্নভুলে ভুল ব্যাখা করেছে পর্ষদ। পরীক্ষার্থীদের বারবার আদালত মুখি করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।এর খেসারত সভাপতিকে ই দিতে হবে। ১৯ মামলাকারীকে ২০০০০টাকা করে মোট ৩৮০০০০ জরিমানাদিতে হবে সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য্যকে। ব্যক্তিগত ভাবে এই টাকা দিতে হবে।এবং মামলাকারীদের ৭ দিনের মধ্যে ফুল মার্কস দিতে যেমন হবে তেমনি নম্বর দেওযার পর ৭ দিনের মধ্যে নিয়োগে বিবেচনা করার নির্দেশ। চাকরিও দিতে হবে ৭ দিনের মধ্যে। চাকরিও দিতে হবে ৭ দিনের মধ্যে।