Date : 2021-09-20

তিন বছরের জন্য বহিষ্কৃত তিন ছাত্রকে ক্লাস করার অনুমতি হাই কোর্টের

স্নেহাশীষ চট্টোপাধ্যায় রিপোর্টার : বিশ্ব ভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর জন্য পৌষ মেলা বন্ধ হয়েছে। শান্তিনিকেতনের সাধারণ মানুষও তাঁকে সমর্থন করেন না। পচা আলুর বস্তা। বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে এমনই মন্তব্য করেন উপাচার্য বিরোধী অধ্যাপকদের আইনজীবী অরুনাভ ঘোষ।

আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য ছাত্রদের পক্ষে বলেন তিন জন ছাত্রকে তিন বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয়। ভারতীয় দন্ডবিধি অনুযায়ী ছাত্ররা ভুল করলে ক্ষমা চাইবে এবং ক্লাসে যাবে। এটাই নিয়ম হওয়া উচিত। কিন্তু সাসপেন্ড কি ধরনের আচরণ??

বিচারপতি রাজা শেখর মান্থার বলেন, উপাচার্য আচার আচরণ খুবই খারাপ যদি ধরেও নিই। তাহলেও বলব উপাচার্য ঘেরাও না করে আদালতে আসতে পারতেন পড়ুয়ারা।

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য্য আদালতে জানান পড়ুয়ারা যে আদালতে আসবে মামলা লড়ার জন্য তাঁদের টাকা কোথায়?

উপাচার্য আইনজীবীসৌম্য চক্রবর্তী পড়ুয়ারা অর্থনীতি গত ৬ই আগস্ট অর্থনীতি বিভাগের তালা ভেঙে কক্ষে ঢোকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি৫সদস্যের কমিটি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়

উপাচার্যের একা সিদ্ধান্ত হয়নি। তা ছাড়া উপাচার্যের গাড়ি পরীক্ষা করে তল্লাশি করেছে পড়ুয়ারা? এটাও ঠিক হয়েছে? এটা কি পড়ুয়াদের পক্ষে করা সম্ভব?

বিচারপতি রাজশেখর মান্থা অন্তর্বর্তী নির্দেশদেন কোনও বিক্ষোভ, আন্দোলন করতে পারবে না পড়ুয়ারা। পুলিশ-সহ সবাইকে এটা নিশ্চিত করতে হবে। ফের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ কর্ম। আন্দোলনরত পড়ুয়ারা ক্লাসে যোগ দিতে পারবে। যে তিন জন ছাত্রকে বহিস্কার করা হয়েছিল তার উপরে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ রাখলেন বিচারপতি।

মামলার পরবর্তী শুনানি ১৫ সেপ্টেম্বর।