Date : 2021-09-20

ফটোগ্রাফার থেকে প্রতিমা শিল্পী হয়ে ওঠার অজানা ইতিহাস

ফটোগ্রাফার থেকে প্রতিমা শিল্পী হয়ে ওঠার অজানা ইতিহাস

সুচারু মিত্র, রিপোর্টার : দুর্গা পুজো মানেই কুমোরটুলির পটুয়া পাড়ায় পালেদের ঘরে ব্যস্ততা থাকে তুঙ্গে, প্রতিমা শিল্পীরা এখন ব্যস্ত ফিনিশিং টাচ দিতে, আর এরই মাঝে আমরা পৌঁছে গেলাম কুমোরটুলির অন্যতম পাল পশুপতি রুদ্র পালের ডেরায়, কুমোরটুলির আড়াইশো ঘর পালের মধ্যে পশুপতি রুদ্র পালের দিরাই লুকিয়ে রয়েছে এক অজানা ইতিহাস।

সালটা ছিল 1964, ওপার বাংলা থেকে বাবার হাত ধরে পটুয়া পাড়ায় চলে আসেন পশুপতি রুদ্রপাল ও তার পরিবার, পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে পশুপতি রুদ্র পাল ছোট থেকেই বাবাকে প্রতিমা গড়তে দেখে আকৃষ্ট হতে থাকেন, কিন্তু বাবার নির্দেশ ছিল না পরিবারের সকলে এক পেশায় নয়, অন্য কিছু করতে হবে বাবার পরিচিত এক ব্যক্তির সান্নিধ্যে এসে প্রথম জীবনে ফটোগ্রাফার হিসেবে পটুয়া পাড়ার মধ্যেই স্টুডিও বানিয়ে কাজ শুরু করেন পশুপতি রুদ্র পাল।

ফটোগ্রাফার হিসেবে হাত পাকাতে প্রথমে ডেড বডির ছবি তুলতে শুরু করেন পশুপতি রুদ্র পাল, পরবর্তীতে থিয়েটার যাত্রার ছবি তুলতে তুলতে হয়ে যান প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার, কিন্তু মন টেকেনি বেশিদিন দুর্গা প্রতিমা গড়ার নেশা যেন তাকে পেশা বদলের দিকে টেনে নিয়ে যায় ফটো স্টুডিওর মধ্যেই তিনি ঠাকুর করার কাজ শুরু করে দেন, রাতারাতি ফটোগ্রাফার থেকে হয়ে যান প্রতিমা শিল্পী, সেই স্টুডিও আজও আছে কিন্তু সেখানে প্রতিমা ডিজাইনের কাজ করেন পশুপতি রুদ্র পাল, তবে আজও ছবি তোলার কথা মনে পড়লে নস্টালজিক হয়ে যান এই প্রতিমা শিল্পী।