Date : 2022-05-25

কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চে ভোটারদের মনোবল বাড়বে: হাইকোর্ট

ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়, রিপোর্টার: ভারতীয় জনতা পার্টির করা কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগ করতে হবে পুর নির্বাচনে।
সিঙ্গেল বেঞ্চের রায় চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্ত ও বিচারপতি রাজর্ষি ভারদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাকরির আইনজীবী বিকাশ সিং জানান কলকাতা পুরসভা র ১৪৪টি আসনে নির্বাচনে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে করার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন আছে।
বিজেপি আইনজীবী আদালতে অভিযোগ জানান রাজ্যের পুরসভা নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের প্রচার থেকে নিরাপত্তা সুনিশ্চিৎ নয়।
রাজ্যে সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের আগে এবং পরে কি ঘটেছে রাজ্যের মানুষ অবগত রয়েছেন।
রাজ্যের শীর্ষ আদালতের নির্দেশে একটি কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেন।
কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে দেখা গিয়েছে রাজ্যের খুন, ধর্ষণ মতো ঘটনা ঘটেছে।যেখানে শাসক দলের নেতা কর্মীদের যুক্ত থাকার উদাহরন পাওয়া গিয়েছে।
কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী পারমিতা দত্ত, সহ বেশ কয়েকজন অভিযোগ করেন তাঁদের নির্বাচনে প্রচার থেকে শুরু করে বাড়ির লোকজন ভয় দেখানো হয়েছে।চারজন প্রার্থী অভিযোগ করলেও পুলিশ কোন সহযোগিতা করে নি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি।বিরোধী দলের শুধ নয় ভোটার দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার খুন হয়েছেন ভোটের সময় কালে।
প্রার্থীদের ভয় দেখানো হচ্ছে পুলিশ কোন সহযোগিতা করেছেন না।
শাসক দলের চোখ রাঙানি প্রতিমুহূর্তে দেখা যাচ্ছে।পুলিশ নিরুত্তাপ বলে অভিযোগ।
রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষের আইনজীবী রত্নাকর ব্যানার্জি আদালতে জানা না পূর্ণিমা চক্রবর্তী এবং পারমিতা দত্ত কমিশনের কাছে কোন অভিযোগ করেনি।আলাদা আলাদা ওয়ার্ডের প্রার্থী ।
অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।কলকাতা পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ পত্র পাঠিয়ে দেওয়ার পর তাঁদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
চারজন প্রার্থী অভিযোগ করার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার।যা এরমধ্যেই রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কলকাতা র ১৪৪টি ওয়ার্ডে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে আদালতে দাবি রাজ্য নির্বাচন কমিশনের।
ভোটের দিন এবং গণনার দিন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।বিশেষ করে কলকাতা পুলিশ কে আর ফোর্স দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন কমিশন।
কমিশনের নির্দেশে কলকাতা পুলিশ কমিশনার কাজ করছেন।
কুইক রেসপন্স টিম, মোবাইল ভ্যান, নাকা পুলিশ, এছাড়াও নজরদারি চালানো হচ্ছে শহরের ঢোকার মুখে।
হাওড়া, বিধাননগর, উত্তর ও দক্ষিণ২৪ পরগনার থেকে কলকাতা ঢোকার মুখে প্রতিনিয়ত নজরদারি চলছে।
২০১৩সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন হয়েছিল।
রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ কে দিয়েই নির্বাচন করতে চলেছে।অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন করার কমিশনের দায়িত্বে র পাশাপাশি শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।যাঁদের যাঁদের বিরুদ্ধে এফ আই আর রুজু ছিল তাঁদের পুলিশ হেফাজতে নিয়েছেন।
রাজ্য নির্বাচন কমিশন বলেন সমস্ত বুথে অস্ত্রধারী পুলিশ, সমস্ত সেক্টরে RT ভ্যান, সমস্ত জেলা বর্ডারে জেলা পুলিশ সতর্ক থাকবে। হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও বিধান নগর পুলিশকে কলকাতা পুলিশের সাথে বর্ডার এলাকায় একসাথে কাজ করার কথা বলা হয়েছে।
এর আগে বাসবী রায় চৌধুরীর একটি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট নিরাপত্তার বিষয়টি রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওপরে ছেড়ে দিয়েছিলেন।
প্রধাব বিচারপতি প্রশ্ন কমিশনকে
আগের নির্বাচন গুলিতে ভোটারদের অভিজ্ঞতা আছে যে নির্বাচন গুলিতে ঠিক কি হয়।এবিষয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন কি বলবেন
কমিশনের কি ভাবে নিশ্চিত হচ্ছেন যে ভোটের আগে ও পরে কোন অশান্তি সৃষ্টি হবে না.. কমিশনকে প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

কলকাতা পুরসভার নির্বাচনে কমিশনের পক্ষ থেকে কত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কোন কোন পুলিশ ফোর্স ব্যবহার করা হচ্ছে সেই তথ্য সঠিক ভাবে নেই কেন… প্রধান বিচারপতি
১৬৫৬গুলি বুথে পুলিশ পরিমান কি?
নির্বাচনে পুলিশ অধিকারীদের কি ভাবে কমিশন ব্যবহার করছেন? শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন কে।অশান্তি সৃষ্টি হলে তাঁর দায় কে নেবেন কমিশন না রাজ্য সরকার… প্রধান বিচারপতি
রাজ্য নির্বাচন কমিশন নিজেই সঠিক বলতে পারছেন না ভোটের অশান্তি হলে দায় কে নেবেন…প্রধান বিচারপতি
নির্বাচনের দিনগুলিতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা র দায়িত্ব কে নেবেন… কমিশনের আইনজীবী কে প্রধান বিচারপতি প্রতিটি বুথে কত জন করে পুলিশ থাকবেন? কতজন সশস্ত্রবাহিনী থাকবেন।কতজন পুলিশ বুথের বাইরে থাকবেন তার তথ্য কোথায়? কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে কতজন ভোটার? তাঁদের নিরাপত্তা কি?একটি পোলিং স্টেশনে কত বুথ?কত পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে?স্পর্শকাতর বুথ গুলিতে কি ভাবে নাজরদারি করবেন? একটা বুথে কত ভোটার?এর উত্তর কি দেবে কমিশন… যা নিরাপত্তা বাহিনী দিচ্ছেন তাতে করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন হবে বলে কি কমিশন মনে করছেন???…প্রধান বিচারপতি
রাজ্য নির্বাচন কমিশন আশ্বাস দিচ্ছেন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর*
কমিশনের উদ্যেশ্যে প্রধান বিচারপতি বলেন
ভোটাররা ভয়ে বুথে ভোট দিতে আসতে পারছেন না. এই অভিযোগ উঠেলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন?*
ভোটের আগে থেকেই এলাকায় কি পুলিশি রুটমার্চ করছে পুলিশ? সঠিকভাবে আদালতে তথা দিতে পারছেন না।তাহলে কিভাবে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করবেন?*
নির্বাচন কমিশনের কোন পরিকল্পনা ই দেখতে পাচ্ছি না কেন?
মুখে বলছেন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করবেন অথচ কমিশনের কোন পরিকল্পনা দেখতে পাচ্ছিনা। আর কদিন বাদেই নির্বাচন।কমিশন কি করছেন?
এলাকা বিন্যাস কি ভাবে করছেন পুলিশ?
২২হাজার পুলিশ দিয়ে১৪৪টি ওয়ার্ডে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন করা সম্ভৱ?প্রধান বিচারপতি
এডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্র নাথ মুখোপাধ্যায় আদালতে জানান এটা বুঝতে হবে আদৌ এটা জনস্বার্থ কিনা?
২১বিধানসভা নির্বাচনের কথা উল্লেখ করেছেন।যার রিপোর্ট দিয়েছিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য রা।যা হাইকোর্ট ৫,বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছেন।
যে অভিযোগ করা হয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে তাঁর ব্যাবস্থা নিয়েছেন কমিশন এবং পুলিশ প্রশাসন।
১লা ডিসেম্বরের পর থেকে আর একটাও অভিযোগ কমিশনের দফতরে জমা পড়েনি।
এটা দুর্ভাগ্যজনক যে অন্যান্য রাজ্যের নির্বাচনের ক্ষেত্রে কমিশনের ভূমিকায় প্রশ্ন ওঠে না কিন্তু এখানে রাজনৈতিক দল গুলি কমিশনের নিরোপক্ষতা নিয়ে বার বার প্রশ্ন তোলেন কেন?
জয়েন্ট কমিশনার অফ পুলিশ বৈঠকে বলে দিয়েছিলেন যে অভিযোগ গুলি করা হয়েছিল সেগুলি নিষ্পত্তি করে দেওয়া হয়েছে… এজি। একজন এমন প্রার্থীর নাম বলুন যিনি ভয়ে তাঁরা তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়েছেন?তাহলে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রশ্ন উঠছে।
রাজনৈতিক দলের প্রচার শেষে পুলিশি রুট মার্চ শুরু হয়…AG। ২৭ হাজার কলকাতা পুলিশ।যাঁর মধ্যে ১৮০০০ কলকাতা পুলিশ।
৫০০০ রাজ্য পুলিশ
নাকা চেকিং,
ডিজি, কলকাতা পুলিশ কমিশনার, আইনি আইন শৃঙ্খলা।
এরাই দায়িত্বে থাকবেন।কলকাতা নিরাপত্তার দায়িত্বে।
অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রস্তুত
পুরভোটে আদালত নির্দেশ দিলেই শনিবার সকালে শহরে ঢুকে পড়বে কেন্দ্রীয় বাহিনী আদালতে জানালেন অতিরিক্তি সলিসিটর জেনারেল ওয়াই জেড দস্তুর।পাশাপাশি শনিবার সকাল থেকেই তাঁরা রুটমার্চ শুরু করবেন।আদালতের নির্দেশে অপেক্ষায় রয়েছি।কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে
কেন্দ্রীয় সলিসিটর জেনারেলকে প্রধান বিচারপতি. কেন্দ্রীয় বাহিনীতে কারা কারা থাকবেন?
উত্তরে জানায় সি আই এস এফ, আর পি এফ, বিএসএফ।
প্রায় তিন ঘন্টা শুনানি হলেও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সিদ্ধান্ত জানালো না হাইকোর্ট। তবে প্রয়োজনে এলাকায় মানুষের মনোবল বাড়াতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ডাকতে পারবে, এমন একটা প্রাথমিক সিদ্ধান্ত মৌখিকভাবে জানায় আদালত। একইসঙ্গে কোর্ট স্পষ্ট করে দেয়, যদি কোনো গোলমাল হিংসা হয় তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিতে হবে কলকাতার পুলিশ কমিশনার ও রাজ্য পুলিশের ডিজি কে। এই মামলা ভোটের পরে ২৩ ডিসেম্বর ফের শুনবে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।*