Date : 2022-09-29

দক্ষিণ আফ্রিকায় WHO-এর বিশেষজ্ঞ দল

রিমিতা রায় নিউজ ডেস্ক : বিশ্বে কাবু করা যাচ্ছে না করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টকে। করোনা ভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি বিশ্বে। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতেই ফের নতুন আতঙ্ক।আলফা, ডেল্টার মত ওমিক্রন আতঙ্কে কাঁপছে একাধিক দেশ। ২০২০ সালে ভাইরাসের থাবার অর্থনীতি পড়তে থাকে। মুখ থুবরে পড়ে বিশ্বের পর্যটন শিল্প । ফের ওমিক্রনের হানায় মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। তবে কি ফের লকডাউন হতে চলেছে, এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। জানা গিয়েছে, ভারতে ইতিমধ্যেই পর্যটন ব্যবসায় ওমিক্রনের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। শেষ তিন দিনে, বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সি থেকে জানা গিয়েছে, পর্যটকরা বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণের বুকিং ইতিমধ্যেই বাতিল করা শুরু করেছেন।

করোনার একাধিক রূপ, বারবার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। স্পাইক প্রোটিনের পরিবর্তনের কারণে একাধিক ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত দক্ষিণ আফ্রিকাতেই ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট প্রথম পাওয়া গিয়েছে। ওমিক্রন আক্রান্ত নতুন সংক্রমিতদের বড় অংশই গাউতেং প্রদেশের। দক্ষিণ আফ্রিকার পরিস্থিতি সামলাতে এখন থেকেই উদ্যোগী হয়েছে হু। ইতিমধ্যেই এক প্রতিনিধি দল পৌঁছেছে দক্ষিণ আফ্রিকায়।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার গাউতেং প্রদেশে ওমিক্রন সংক্রমণের এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে একটি বিশেষজ্ঞ দল পাঠানো হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে স্পষ্ট নয়, কবে এই ভ্যারিয়েন্ট হানা দেয় প্রথম। নভেম্বরের শুরু থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ননারকম উপসর্গ লক্ষ্য করা যায়। এরই মধ্যে ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এল। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর কমিউনিকেবল ডিজিস-এর বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পূর্বে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও নতুন করে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর কমিউনিকেবল ডিজিস-এর বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, পূর্বের ভ্যারিয়্যান্টগুলি দ্বারা আক্রান্তদেরও এই নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।