Date : 2022-01-26

বাংলা বলছে ? কিন্তু কী বলছে ? বাঙালির কন্ঠস্বরই বাংলা বলছে

ওয়েব ডেস্ক : বাংলা বলছে…. কথাটা শুনে সবার প্রথমে কি মাথায় আসে ? বাংলা কী ভাবে বলতে পারে ? এটাকি সত্যিই বাংলা বলছে নাকি বাঙালি বলছে বাংলার জন্য ! জন্মলগ্ন থেকেই বাঙালি বাংলার জন্য আকুল। আর সেই বাঙালির কন্ঠস্বরই প্রতি মুহুর্ত উঠে আসছে আর প্লাস নিউজের পর্দায় “বাংলা বলছে” শো-এর মাধ্যমে। অর্থাত্ অন্যভাবে বললে বাঙালির কন্ঠস্বরই হল “বাংলা বলছে”।

এই শো এর মূল উপাদান বিভিন্ন ব্যাক্তির স্বাক্ষাত্কারই কেবল নয়। বিভিন্ন সময় নিজের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত নানান প্যানেলিস্টের মাধ্যমে ওই নির্দিষ্ট সময়ের কোনো একটি বিশেষ ঘটনার উপর আলোকপাতও বটে। অনেকের মনে প্রশ্ন থাকতে পারে। কোনো একটি বিষয়ের পক্ষে বা বিপক্ষে আলোচনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কি উপকার ? বা তারা কী জানতে পারবেন ? এই আলোচনার মাধ্যমে সাধারন মানুষের মধ্যে একটি জনমত তৈরি হয়। তাদের মধ্যে ঠিক-ভুল বিচার করার বোধ কাজ করে। অর্থাত্ বলা যেতে পারে বাংলা বলছে বাংলার মানুষের কথা যেমন তুলে ধরছে, তেমনই তাদের কোনো ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঠিক ভুল বিচারের ক্ষমতাকে আরও বৃদ্ধি করছে।

আর প্লাস নিউজের পর্দায় দেখা গিয়েছে গত পুরসভা ভোটে কলকাতা কর্পোরেশনের অন্তর্গত ১৪৪টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন আনাচে কানাচে চলে গিয়েছিল “বাংলা বলছে”-র ক্যামেরা। অর্থাত্ শুধু স্টুডিওতে নয়, স্টুডিওর বাইরে গ্রাউন্ড জিরোতে চলে গিয়েছেল আর প্লাস নিউজ। শুধুমাত্র কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনিত প্রার্থীরাই নন, এলাকার বাসিন্দা, ব্যাবসায়ী সকলেরই সুবিধা অসুবিধার কথা তুলে ধরেছেন। কোনো কোনো ওয়ার্ডের বাসিন্দারা বলেছেন, তারা যথাযথ পুরসভার সমস্ত সুযোগ সুবিধা পেয়েছেন। আবার বিভিন্ন জায়গার সাধারন মানুষেরা তাদের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন আর প্লাস নিউজের ক্যামেরায়। কোথাও বর্ষার জমা জল একটি বড়ো সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে আবার কোথাও পাণীয় জল। আবার কোনো ওয়ার্ডে তাদের পুর প্রতিনিধির দেখাই মেলেনা। তাছাড়াও আর প্লাস নিউজের ক্যামেরায় নিজেদের মতামত ব্যক্ত করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়া থেকে শুরু করে শপথ গ্রহন পর্যন্ত ১৪৪টি ওয়ার্ডে ছিল বাঙালির কন্ঠস্বর “বাংলা বলছে”।

এবার বিধাননগর পুরনিগম ভোটে বিধাননগরের ৪১টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন যায়গায় প্রতিনিয়ত যাচ্ছে “বাংলা বলছে”-র ক্যামেরা। বিধাননগরের বিভিন্ন যায়গায় জমা জল যেমন একটি বড়ো সমস্যা, তেমনই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের মতে, সিন্ডিকেট রাজে ভরে গিয়েছে বিধাননগর। কি হবে বিধাননগর পুরনিগমের ভবিষ্যত্ ? কে বসবেন বিধাননগরের মেয়র পদে ? জানতে হলে দেখতে হবে “বাংলা বলছে-গ্রাউন্ড জিরো” সুজিত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সন্ধ্যে ৭টায়।