Date : 2022-05-27

ঐতিহাসিক টাউন হলে কলকাতা পুরসভার বার্ষিক অধিবেশনে দ্বিতীয় পর্বের প্রস্তাব পাশ হয়ে গেল

ষষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়, রিপোর্টার: রাম পেয়ারা রাম ইলোরা সাহা উত্তরের ভিত্তিতে কাজের জন্য ৯ জনের করে শ্রমিক রা কাজ করেন। আর যদি কেউ অসুস্থ থাকলে বোরো থেকে কর্মীদের কাজে নিযুক্ত করা হবে। এছাড়া ডাটা এন্ট্রি জন্য তথ্য প্রযুক্তি কে দেওয়া হয়।

বিশ্বরূপ দে: রাতে পার্কিং এর জন্য রাস্তা পরিষ্কার করা যাচ্ছে না ফলে রাস্তা পরিষ্কার করার জন্য ১ ঘণ্টা ঠিক করা হোক

বিশ্বরুপ দের প্রশ্নে দেবাশীষ কুমার: যারা পার্কিং করেন তারা রাস্তা পরিষ্কার করে। আমাদের যখন পার্কিং শুরু হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু হয় ত হয়নি। পার্কিং এজেন্সি দের সঙ্গে কথা বলে ব্যাবস্হা করা হবে জানালেন দেবাশীষ কুমার।

প্রস্তাব উত্তাপন করে বিশ্বরূপ দে বলেনঃ* হকার নির্দিষ্ট নীতি আছে। যারা হকারি করছে না তারা ফুটপাথ দখল করে রাখছেন। তাদের সরিয়ে দেওয়ার ব্যাবস্হা করার ফলে কলকাতা কে আরো সুন্দর করা যেতে পারে।

উত্তর দিলেন দেবাশীষ কুমার। ইতিমধ্যে একটা আইন প্রয়াণ হয়েছে। যেখানে টাউন ভেঁদিং কমিটি ছাড়া করা সম্ভব নেই। সেটা নিয়ে কাজ হচ্ছে। তালিকা থাকলে দেবেন সেটা নিয়ে বেন্ডিং কমিটিতে আলোচনা করা হবে বলে আশ্বাস দিলেন দেবাশীষ কুমার।

উত্তর দিলেন ফিরহাদ হাকিম* সুদর্শনা মুখোপাধ্যায় প্রস্তাব ভালো। তার প্রস্তাবের সমর্থন করছি। সুব্রত দা কে দেখে আমরা রাজনীতি শুরু করেছি। আমি এই প্রস্তাব টা সমর্থন করছি । সড়ক উপদেষ্টা কমিটির কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছি। সড়ক নামকরণ কমিটির কাছে পাঠিয়ে দেব। সুব্রত মুখোপাধ্যায় নামে সংগ্রহশালা করা হবে তার বিধান সভা অঞ্চলে করা যাবে। জায়গা চিহ্নিত করে।

সুদর্শণা মুখার্জির প্রস্তাবঃ
প্রায়ত সুব্রত মুখোপাধ্যায় কে নিয়ে বিশেষ প্রদর্শনশালা করা যায়। আর তার নামের একটা রাস্তা যদি করা যায়
কাকলি সেন এর প্রস্তাবঃ
২ নম্বর ওয়ার্ডের অঞ্চলে অনেক জায়গা খোলা ড্রেনেজ রয়েছে। অবিলম্বে আমাদের অঞ্চলের পোলি তুলে সেটা ঢাকার ব্যাবস্হা করার জন্য প্রস্তাব দিচ্ছি। বললেন কাকলী সেন ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর
কাকলি সেন এর প্রস্তাব এর তারক সিংহ উত্তর দেন: কাকলি সেন যে প্রস্তাব দিয়েছেন সেটা নিয়ে মেয়র এর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তার জন্য ব্যাবস্হা করেছি। অনেক ক্ষেত্রে pwd দফতরের অধীনে আছে। সেটা নিয়ে আমরা ডি পি আর তৈরি করার কাজ শুরু করেছে। মেট্রো রেলের একটা খুলা ড্রেনেজ আছে। সেটা কে keip যে ড্রেনেজ আছে তার সঙ্গে মেট্রো ড্রেনেজ কে সংযুক্ত করে কাজ করা যায়। সেটা দেখা হচ্ছে। আমরা সবাই মিলে নিজেদের কাজ বুঝে নিতে পারি তাহলে কাজ ভালো হয়। আমরা সবাই আধিকারিকদের উপরে নির্ভর হয়ে থাকি।
ইলোরা সাহা প্রস্তাব
উত্তর কলকাতা অনেক মানুষ বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। যার ফলে সেই সব জায়গায় ব্যাবসায়িক কারণে ব্যাবহার করছেন। তাদের কে ট্রেড লাইসেন্স করে তাদের কে আইনি ভাবে নিয়ে আসা যায়
ইলোরা সাহার প্রস্তাব এ ফিরহাদ হাকিম: এটা ঠিক অনেক জায়গা এই ভাবে বেআইনি কাজ চালানো হচ্ছে। কি করে তারা cese তাদের কে বিদ্যুৎ দিচ্ছে। তালিকা দিলে সেটা ব্যাবস্হা গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দেন মেয়র।
ফিরহাদ হাকিম: উত্তর কলকাতা অনেক দিনের সমস্যা রয়েছে। অনেক জায়গা শরিকি নিয়ে গণ্ডগোল বা অনেক জায়গা বাড়ির মালিকদের সঙ্গে সমস্যা আছে। এটা নিয়ে পুর সাভার কোনো আইন নেই। তার হাতে কোনো ক্ষমতা নেই । এটা নিয়ে একটা প্রস্তাব রাজ্য সরকারের কাছে ৪১২ ধারায় একটা প্রস্তাব পাঠানো যায় বললেন ফিরহাদ হাকিম।

২৪ নম্বর ওয়ার্ডে অনেক হেরিটেজ বাড়ি আছে এবং বিপদজনক বাড়ি আছে। কিছু দিন আগে একটা বিপদজনক বাড়ি ভেঙে পড়েছিল। যার ফলে একজন মারা গেছে। পাথুরিয়া ঘাট স্ট্রীট রোডে। বিপদজনক বাড়িতে যারা ভাড়া থাকে তারা আর্থিক ভাবে সক্ষম নেই।
সুশান্ত ঘোষ প্রস্তাবঃ ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের কে একটা রাজনীতিক কারণে তৈরি করা হয়েছে। ওয়ার্ডে কে একটা জায়গা নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে। ১০৮ নম্বর গরু মস সাভারে পুর্নবাসনের জায়গা আছে। সেখানে একটা চক্র আছে। যেখানে জমি বেদখল হয়ে যাচ্ছে। গুরুত্ব সহকারে সেটা দেখার অনুরোধ করছি।
সেখানে বেআইনি সরকারি জানি উপরে ২০০ বেআইনি চামড়া কারখানা তৈরি হয়ে গেছে। সেখানে মানুষের সমস্যা তৈরি হয়েছে। রাস্তার উপরের থেকে উচ্ছেদ হয়ে গেছে কিন্তু হাজার হাজরা স্কোয়ার ফিট জায়গা নিয়ে তৈরি হয়ে গেছেন। পশ্চিম চৌবাঘা অনেক সমস্যা রয়েছে। সেখানে মানুষ থাকার অবস্থা নেই। ২০০০ এর বেশি জায়গা এখনই লাইট নেই ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডে।
সুশান্ত ঘোষের প্রস্তাবের উত্তর ফিরহাদ হাকিমঃ
১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের সমস্যা নতুন নয়। এটা ঠিক যে বেশির ভাগ জমি কে এম ডি এ জমি আছে। সেই জায়গা বেআইনি দখল হয়ে গেছে। অনেক অঞ্চলে লেদার ফ্যাক্টরি উঠে গেছে। এটা সব কলকাতা পুরসভা অন্তর্ভুক্ত নয়। এটা পরিবেশ দফতরের কে দেখার কথা। ১৯৮০ সাল থেকে এই বেআইনি দখল হয়েছে। সেখানে প্রস্তাব করা হয়েছে ১০৮ এবং ১০৮ নম্বর ওয়ার্ড ৩৫০ কোটি টাকা বাজেট দেওয়া হয়েছে। সেটা দিয়ে যাতে সেই ওয়ার্ডের keip ফান্ডের দিয়ে সমস্যা সমাধান করা হবে বলে জানান মেয়র।