Date : 2022-05-28

গ্রূপ সি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে স্বস্তি রাজ্য সরকারের।সিবিআই নয়, তদন্ত করবেন প্রাক্তণ বিচারপতির কমিটি

ষ্ঠী চট্টোপাধ্যায়, রিপোর্টার:-গ্রূপ সি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তভার প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগের কমিটির ছাড়লো ডিভিশন বেঞ্চ।আগামী তিন মাসের মধ্যে কমিটি তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দেবেন।

গ্রূপ সি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তে নারাজ রাজ্য সরকার।বৃহস্পতিবার বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানী চলাকালীন রাজ্য সরকারের পক্ষের আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থার ওপর আমাদের আস্থা রয়েছে। তাঁরা নিরপেক্ষ ভাবেই তদন্ত করবেন।এক্ষেত্রে যদি কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে অবশ্যই আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মামলাকারির পক্ষে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে জানিয়েছেন গ্রূপ ডি র মতোই গ্রূপ সি নিয়োগে বড় দুর্নীতি হয়েছে।রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থার ওপর আমাদের আস্থা নেই।তাঁদের নিরোপক্ষেতা নিয়ে প্রশ্ন আছে।যদিও সরকারি কৌঁসুলি আদালতে জানান সিবিআই তদন্তের ক্ষেত্রে বেশ কিছু গাইডলাইন বেঁধে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট।তাই এই ধরণের তদন্তের ক্ষেত্রে সিবিআইয়ের এখতিয়ার নেই।

বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাকারি দের কাছে জানতে চান তাঁরা কি চাইছেন? আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য জানান রাজ্য কোনোটাই এড়িয়ে যেতে পারে না। এটা বলতে পারে না তারা জানত না। প্রচুর টাকার লেনদেন।
অর্থ দফতর তারা বেতন দেওয়ার আগে কেন ক্ষতিয়ে দেখল না। এটা তো মানুষের টাকা। এটার জন্যই সিবিআই চাই।
রাজ্য শুধু সিবিআই’র ওপর স্থগিতাদেশ চাইছে। চাকরি খারিজ নিয়ে কিছু বলছেই না
রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল বলেন কেন চাকরি নিয়ে স্থগিতাদেশ চাইনি কারণ আদালত বলেছে তদন্ত সামনে আসুক। কমিটির অনুসন্ধান সামনে আসুক।

বিকাশ বাবু বলেন এই ধরনের দুর্নীতির ক্ষেত্রে সিবিআই একমাত্র শ্বাচ ভাবে তদন্ত করলে আসল অপরাধীরা ধরা পড়বে।ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ এই ধরণের ঘটনার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তদন্তকারী সংস্থা কে দিয়েই তদন্তকরার পক্ষে নয়।এই পর্যায়ে আদালত হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি দ্বারা কমিটি গঠন করে তদন্ত র পক্ষে।
গ্রূপ ডিএবং সি নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে মামলায় সিঙ্গেল বেঞ্চের সিবিআই তদন্তে আস্থা রাখলেও ডিভিশন বেঞ্চ প্রাক্তন বিচারপতি র কমিটিতে আস্থা।তবে হাই কোর্টের আইনজীবী মহল মনে করছেন শুধুমাত্র নিয়োগ দুর্নীতি হয়নি আর্থিক লেনদেনের মধ্যেও নিয়োগ হয়েছে তাই সিবিআই তদন্ত হলে সঠিক তথ্য উঠে আসতে পারে। তবে ডিভিশন বেঞ্চ কমিটির ওপর যে চাপ বাড়াচ্ছে তাতে অবশ্যই দুধ কা দুধ পানি কা পানি হয়ে যাবে।